দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল
Imaginary red pen

সহজেই ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন? অদৃশ্য লাল পেনেই থামবে কথা কাটাকাটি, জানাচ্ছেন মনোবিদ

বচসা যার সঙ্গে যে বিষয়েই হোক না কেন, হওয়া উচিত নির্দিষ্ট সীমানা মেনে। আমরা অনেক সময়েই তা পারি না। ঝগড়ায় হারছি বুঝলে হয়তো আচমকাই ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বসি উলটোদিকের মানুষটিকে। ফলত, তার দিক থেকেও একইরকম আচরণ পাই।
Utsa Tarafdar
04:51 PM Jun 11, 2026 IST
বচসা যার সঙ্গে যে বিষয়েই হোক না কেন, হওয়া উচিত নির্দিষ্ট সীমানা মেনে। আমরা অনেক সময়েই তা পারি না। ঝগড়ায় হারছি বুঝলে হয়তো আচমকাই ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বসি উলটোদিকের মানুষটিকে। ফলত, তার দিক থেকেও একইরকম আচরণ পাই।
বোঝার চেষ্টা করুন, ঠিক কোন বিষয় থেকে মতপার্থক্যের সূচনা।

কথা কাটাকাটি, ঝগড়া, মতের অমিল তো রোজের জীবনেরই অঙ্গ। তা সে উলটোদিকের মানুষটি জীবনসঙ্গী হোক অথবা বন্ধু, প্রতিবেশী কিংবা সহকর্মী। একবার মনমালিন্য হলে তার অস্বস্তি থেকে যায় সারাদিন। প্রভাব পড়ে দিনের অন্যান্য কাজেও। প্রাত্যহিক জীবনে বচসা এড়ানো সম্ভব নয়। তা পিছনে ফেলে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সাহায্য করতে পারে কেবলমাত্র এক অদৃশ্য লাল পেন (Imaginary red pen), জানাচ্ছেন মনোবিদরা।

লাল পেন! তাও আবার অদৃশ্য? অবাক হওয়ার মতোই কথা বটে। মনোবিদরা বলছেন, মন শান্ত রাখতে এই লাল পেন অত্যন্ত জরুরি। মাথার ভিতর সর্বদা প্রস্তুত রাখতে হবে তা।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

ঝগড়ায় কখনওই করা চলে না ব্যক্তিগত আক্রমণ।

আসল সমস্যার নিচে দাগ দিতে হবে!
মনে করে নিন, আপনি পরীক্ষক। জীবনের ঠিকভুলের বিচার করতে বসেছেন পরীক্ষার খাতা দেখার মতো করে। খানিক আগেই হওয়া যাওয়া ঝগড়াটিতে আপনি কী বললেন, উলটোদিকের মানুষ কী বলল, ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। বোঝার চেষ্টা করুন, ঠিক কোন বিষয় থেকে মতপার্থক্যের সূচনা। মাথার ভিতর থাকা অদৃশ্য লাল কালির পেন দিয়ে দাগ দিন তার নিচে।

ব্যক্তিগত আক্রমণ কেটে দিন এক দাগে!
বচসা যার সঙ্গে যে বিষয়েই হোক না কেন, হওয়া উচিত নির্দিষ্ট সীমানা মেনে। আমরা অনেক সময়েই তা পারি না। ঝগড়ায় হারছি বুঝলে হয়তো আচমকাই ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বসি উলটোদিকের মানুষটিকে। ফলত, তার দিক থেকেও একইরকম আচরণ পাই। এ বিষয়ে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। যা ঘটে গিয়েছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজে লাগাতে হবে। নিজে যদি ব্যক্তিগত সীমানা লঙ্ঘন করে থাকেন, তবে ইগো পাশে সরিয়ে, ক্ষমা চেয়ে নিন। এতে উলটোদিকের মানুষের মনেও পজিটিভ প্রভাব পড়তে বাধ্য। দু'জনের পক্ষেই অন্যের আঙ্গিক বুঝতেও অসুবিধে থাকে না।

মার্জিনের পাশে নোট নিয়ে নিন অবশ্যই!
কী শিখলেন বচসা থেকে? নিজের ভুল কোথায়? অন্যজনই বা কোথায় মাত্রা ছাড়িয়েছে? তা নিয়ে বারবার ভাবুন। যা শিখলেন, তা ভুলে না গেলে ভবিষ্যৎ সমস্যা এড়ানো যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। মনোবিদরা বলেন, নিজেরা শুধরানোর সবথেকে ভালো সুযোগ কেবল বচসাই দিতে পারে মানুষকে!

পরীক্ষকের মতো বিচার করতে বসুন ঝগড়ার ঠিক ভুল।

ডবল টিক দিন সমাধানের পাশে!
এই ঝগড়ায় কোন কোন বিষয় বলা হয়নি, কী বললে অপরপক্ষ গো-হারান হারত, তা না ভেবে, ভাবুন সমাধান কীভাবে করা যেতে পারে। তবে এমনও হতে পারে যে দোষ উলটোদিকের মানুষটির। এবং সে কোনওভাবেই তা সমাধানে বিশ্বাসী নয়। সেক্ষেত্রে এড়িয়ে চলা উচিত এমন টক্সিক মানুষের সংস্পর্শ। কেমন মানুষদের বাদ দেবেন জীবন থেকে, তাও বুঝতে সাহায্য করবে ঝগড়াই।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
Relationship Tips
Advertisement
Tags :
Relationship Tips

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন