Advertisement

সাবধান! সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে ষড়যন্ত্রের ফাঁদ, ভিডিও কল রিসিভ করলেই খোয়াতে পারেন সর্বস্ব

09:34 PM Sep 13, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ছড়িয়ে রয়েছে ষড়যন্ত্রের ফাঁদ। পা দিলেই সর্বনাশ। খোয়াতে পারেন সর্বস্ব। মুহূর্তে আপনার ব্যক্তিগত ছবি চলে যেতে পারে পর্ন সাইটে। কীভাবে ঘটছে এমন ঘটনা?

Advertisement

ফেসবুকে অচেনা সুন্দরী মহিলার ‘আবেদন’ এ সাড়া দিলেই পড়ls পারেন ফাঁদে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘পিঙ্ক ট্র্যাপ’- এর ফাঁদে ফেলা হচ্ছে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের। সেই জাল পরে সামাজিক সম্মান বাঁচাতে আর্থিকভাবে প্রায় দেউলিয়া হতে বসেছে তারা। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানায় একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ট্র্যাপের পিছনে রয়েছে সেই জামতাড়া গ্যাং, অনুমান পুলিশের।

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1630720090-3');});

[আরও পড়ুন: সাবধান! অনলাইন গেমে পাতা ফাঁদ, লক্ষ লক্ষ টাকা খোয়াচ্ছে যুবসমাজ]

দুর্গাপুরের এক চিকিৎসক ফেসবুকে অচেনা এক সুন্দরী মহিলার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতেই তাঁর ম্যাসেঞ্জারে ওই মহিলার কাছ থেকে মেসেজ আসে ‘হাই’। পালটা ‘হাই’ লিখতেই সরাসরি ন্যুড ভিডিও কল করার প্রস্তাব দেয় সেই মহিলা। এমনকী, ম্যাসেঞ্জারে টানা ভিডিও কল করতে থাকে সে। আর কলটি রিসিভ করতেই বিপত্তি। চিকিৎসকের দুর্বল মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করে নেওয়া হয় অপরপ্রান্ত থেকে। তার পরই শুরু হয় ব্ল্যাকমেল। সেই ছবি, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে শুরু হয় টাকা হাতানোর থেলা। দফায় দফায় ওই মহিলার নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে প্রায় দেউলিয়া হওয়ার জোগাড়।

দেওয়ালে পিঠ ঠেকতে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই চিকিৎসক। শুধু এই চিকিৎসকই নন, শহরের প্রতিষ্ঠিত ঠিকাদার, ব্যবসায়ীরাও এই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে খবর পুলিশ সূত্র। এই চক্রের সঙ্গে ‘জামতাড়া’ গ্যাং-এর সম্পর্ক আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাঁদের অনুমান, জামতাড়া গ্যাং-এর ভাড়া করা সুন্দরীরাই এই প্রতারণার টোপ।

[আরও পড়ুন: Tech News: এবার ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন Google Drive, জেনে নিন পদ্ধতি]

তবে অনেক ক্ষেত্রে কিছু মহিলাও পুরুষদের এইভাবে ব্ল্যাকমেল করে বলে পুলিশের দাবি। বিভিন্ন ‘সেক্স চ্যাট’ অ্যাপেও আর্থিকভাবে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগেও। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি (১) পূর্ব অভিষেক গুপ্তা জানান, “অভিযোগ দেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” 

Advertisement
Next