দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল
Gujarat

প্রিয় ঋতু বর্ষা? কুয়াশা মোড়া পাহাড় আর ঝরনার অফবিট সাপুতারার প্রেমে পড়তে বাধ্য হবেন

সাপুতারাকে সবচেয়ে সুন্দর লাগে বর্ষায়। তবে শীতকালও সাপুতারা ঘোরার জন্য আরামদায়ক।
Utsa Tarafdar
01:20 PM Aug 20, 2026 IST
সাপুতারাকে সবচেয়ে সুন্দর লাগে বর্ষায়। তবে শীতকালও সাপুতারা ঘোরার জন্য আরামদায়ক।
বর্ষায় প্রাণ ফিরে পায় সাপুতারার জলপ্রপাত।

বর্ষায় পাহাড়ের যে মনোরম রূপ, তা বারবার মন টানে? তাহলে চেনা সমস্ত গন্তব্য ছেড়ে পাড়ি দিতে পারেন তথাকথিত এই অফবিট পাহাড়ি শহরে। গুজরাট (Gujarat) বললেই বাঙালির মনে ভেসে ওঠে সমতল, বিস্তীর্ণ কচ্ছের রান। কিন্তু এই গুজরাটেরই ডাং জেলার সাপুতারা (Saputara) এক অনন্যসুন্দর পাহাড়ি শহর। অন্যান্য পর্যটককেন্দ্রের তুলনায় এখানে এখনও ভিড় অপেক্ষাকৃত কম। পশ্চিমঘাটের সহ্যাদ্রি পর্বতমালার কোলে প্রায় ১,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই ছোট পাহাড়ি শহরটি ঘিরে রয়েছে কুয়াশার চাদর, মাঝেমধ্যে বৃষ্টি।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

কী দেখবেন?
এখানে আসা মানে কেবল তাড়াহুড়ো করে একগাদা দর্শনীয় স্থান দেখা নয়। বরং হাতে সময় নিয়ে প্রকৃতিকে পর্যবেক্ষণ করাই বেশি উপভোগ্য। সাপুতারা হ্রদের সামনে সময় যেন থমকে দাঁড়ায়। পাহাড়ে ঘেরা এই জলাশয়ে নৌকাবিহারের ব্যবস্থাও রয়েছে। এখানকার সানরাইজ পয়েন্ট ও সানসেট পয়েন্ট থেকে দূরের পাহাড় দেখা যায়।

বর্ষায় গিরা জলপ্রপাতের রূপ দেখতে হয় বিভোর হয়। ইতিহাসের ছোঁয়া পেতে যাওয়া যেতে পারে হাটগড় দুর্গ। প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য পূর্ণা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও বাঁসদা জাতীয় উদ্যান বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে।

সাপুতারার এক গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এখানকার ডাং অঞ্চলের আদিবাসী সংস্কৃতি। ভিল, কোকনা, গামিত, ওয়ারলি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বসবাস এই অঞ্চলে। তাঁদের নাচ, পোশাক, শিল্পকলা এবং হস্তশিল্প এই পাহাড়ি অঞ্চলের নিজস্ব পরিচয়ের অংশ।

যদি বেশ কিছুদিন সময় হাতে নিয়ে আসা যায়, তবে এখান থেকে অদূরে অবস্থিত নাশিক ও শিরডিকেও ঘুরে আসা যায়।

কখন যাবেন?
সাপুতারাকে সবচেয়ে সুন্দর লাগে বর্ষায়। পশ্চিমঘাট পাহাড় তখন ঘন সবুজ হয়ে ওঠে, কুয়াশা নেমে আসে রাস্তায়, জলপ্রপাতগুলো যেন প্রাণ ফিরে পায়। ২০২৬ সালে গুজরাট পর্যটন দপ্তর ‘সাপুতারা বর্ষা উৎসব’ আয়োজন করেছে, যা ৮ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এই উৎসবে স্থানীয় লোকসংস্কৃতি, আদিবাসী নৃত্য, ওয়ারলি চিত্রকলা দেখার, এবং স্থানীয় খাবার চেখে দেখার সুযোগ পাওয়া যাবে। শীতকালও সাপুতারা ঘোরার জন্য আরামদায়ক।

কীভাবে যাবেন?
কলকাতা থেকে সাপুতারা যেতে হলে ট্রেনে নাশিক রোড, সেখান থেকে সড়কপথে সাপুতারা যাওয়া যায়। নাশিক রোড থেকে সাপুতারার দূরত্ব আনুমানিক ৮০-১০০ কিলোমিটার। চাইলে কলকাতা থেকে সুরাট বা মুম্বই হয়ে সড়কপথেও সাপুতারা পৌঁছনো যায়।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
GujaratIndianTravellers
Advertisement
Tags :
GujaratIndianTravellers

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন