দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল
Ladakh Tourism

এবার লাদাখ যাওয়া আরও সহজ, চালু হচ্ছে জোড়া বিমানবন্দর, ভূস্বর্গ ভ্রমণের এ সুযোগ ছাড়বেন না!

বর্তমানে দুটি বিমানবন্দরই মূলত সামরিক ও চার্টার পরিষেবার জন্য ব্যবহৃত হয়। এইবার তা নাগরিক বিমান পরিষেবার জন্য খুলে দেওয়া হবে।
Utsa Tarafdar
02:34 PM Aug 26, 2026 IST
বর্তমানে দুটি বিমানবন্দরই মূলত সামরিক ও চার্টার পরিষেবার জন্য ব্যবহৃত হয়। এইবার তা নাগরিক বিমান পরিষেবার জন্য খুলে দেওয়া হবে।
দুর্গম সড়কপথের জন্য লাদাখ যাওয়ার কথা ভেবেও পিছিয়ে যান অনেকেই।

ভ্রমণপ্রেমীরা জীবনে একবার নয়, বারবার যেতে চান লাদাখে (Ladakh)। মর্ত্য নয়, যেন স্বর্গের রূপই স্বচক্ষে দেখা যায় সেখানে। কিন্তু লাদাখ যাওয়ার পথ দুটোই। কলকাতা থেকে লাদাখ পৌঁছনোর সরাসরি কোনও পথ নেই, তা সে স্থল, জল, বায়ু যাই বলা যাক না কেন। কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আকাশপথে যেতে হবে লেহর কুশক বাকুলা রিমপোচে বিমানবন্দরে। সেখানে থেকে গাড়িতে লাদাখ।

অথবা, ট্রেনপথে হাওড়া থেকে দিল্লি বা চণ্ডীগড়, সেখান থেকে মানালি, ও সেখান থেকে লেহর পথ ধরতে হবে। কেবল হাওড়া বা কলকাতা নয়, ভারতের যে প্রান্ত থেকেই লাদাখ যাওয়ার চেষ্টা করা যাক না কেন, পথ মোটামটি এমনটাই। কিন্তু এরপরের পথ আরও কঠিন, দিনভর দুর্গম সড়কপথে যাত্রা করেই তবে যাওয়া যেত লেহ-লাদাখের দুর্গম উপত্যকাগুলিতে।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

এই ছবিই বদলাতে চলেছে এইবার। প্রস্তুত হচ্ছে আরও দু’টি বিমানবন্দর—নুব্রা ভ্যালির থোইস এবং কার্গিল। বর্তমানে দুটি বিমানবন্দরই মূলত সামরিক ও চার্টার পরিষেবার জন্য ব্যবহৃত হয়। এইবার তা নাগরিক বিমান পরিষেবার জন্য খুলে দেওয়া হবে।তবে সীমান্তবর্তী ও সংবেদনশীল এলাকা হওয়ায় নিরাপত্তা এবং বিমান চলাচলের সময়সূচি সংক্রান্ত বিশেষ বিধিনিষেধও বজায় থাকবে। এগুলি চালু হলে, সড়কপথের তোয়াক্কা না করে কানেক্টিং ফ্লাইটেই এক উপত্যকা থেকে অন্য উপত্যকায় ঘুরে বেড়ান যাবে।

থোইসের ক্ষেত্রে প্রস্তুতি বেশ কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে রানওয়ের পুনরায় কার্পেটিংয়ের কাজ চলছে, ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যে তা শেষ হওয়ার কথা। নতুন টার্মিনাল পুরোপুরি তৈরি হওয়ার অপেক্ষায় না থেকে কর্তৃপক্ষ সেখানকার পুরনো চার্টার ফ্লাইট টার্মিনালটি সংস্কার করে সেখান থেকেই অসামরিক বিমান পরিষেবা শুরু করার পরিকল্পনা করছে।

কার্গিলের পরিস্থিতি অবশ্য কিছুটা আলাদা। ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় বায়ুসেনা, এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া এবং অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের একটি যৌথ দল বিমানবন্দরটি পরিদর্শন করবে। নিয়মিত যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা শুরু করার মতো পরিকাঠামো সেখানে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। এরপর শুরু হবে সংস্কারের কাজ।

পর্যটকদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পরিবর্তন?
বর্তমানে নুব্রা ভ্যালিতে যেতে হলে লেহ থেকে প্রায় গোটা একটি দিন গাড়িতে কাটাতে হয়। যাত্রাপথে বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম মোটরযোগ্য গিরিপথ খারদুং লা পার হতে হয়। দৃষ্টিনন্দন হলেও যাত্রাটি দীর্ঘ, ক্লান্তিকর এবং সম্পূর্ণভাবে আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল। থোইসে বিমান পরিষেবা চালু হলে সেই দীর্ঘ সড়কযাত্রা কমে এক স্বল্প সময়ের বিমানযাত্রায় পরিণত হবে।

কার্গিল, দ্রাস এবং আশপাশের এলাকাগুলির ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। লেহর তুলনায় বর্তমানে এই অঞ্চলগুলিতে পর্যটকের সংখ্যা অনেক কম, যার অন্যতম কারণ এখানকার দুর্গম পথ। বিমান যোগাযোগ সহজ হলে পর্যটকদের কাছে এই অঞ্চলগুলি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
Himalayan RegionIndianTravellersLadakh
Advertisement
Tags :
Himalayan RegionIndianTravellersLadakh

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন