অবিশ্বাস্য! সবাই মাদকাসক্ত, থাইল্যান্ডের এই মঠে থাকে না কোনও সন্ন্যাসী!

10:01 PM Nov 29, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফাঁকা পড়ে আছে বৌদ্ধ মঠ (Buddhist Temple)। সেখানে একজনও সন্ন্যাসী নেই। কিছুদিন আগেও মধ্য থাইল্যান্ডের (Thailand) ওই মঠে উপসনা-সহ যাবতীয় ধর্মীয় আচরণ সম্পন্ন হচ্ছিল। কিন্তু মাদকে আসক্ত হওয়ার অভিযোগ ওঠে খোদ মঠের চার ভিক্ষুর (Buddhist Monk) বিরুদ্ধে। এরপর মাদক পরীক্ষা হলে তাতে ব্যর্থ হন তাঁরা। ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের থেকে সন্ন্যাসী পদমর্যাদা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মাদকের নেশা ছাড়াতে তাঁদের রিহ্যাব সেন্টারে (Rehab Centre) পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

ফেচাবুন প্রদেশের বুং স্যাম ফান জেলায় রয়েছে মঠটি। কিছুদিন আগে মঠাধ্যক্ষ-সহ সেখানকার চার ভিক্ষু মাদকে আসক্ত বলে অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর সোমবার মাদক পরীক্ষা হলে ভিক্ষুদের রক্তে মেথামফেটামিন (Methamphetamine) মাদক মেলে। এরপরেই চার সন্ন্যাসীর ভিক্ষু মর্যাদা কেড়ে নেওয়া হয়। এইসঙ্গে মাদকের নেশা ছাড়াতে তাঁদের রিহ্যাব সেন্টারে পাঠানো হয়।

[আরও পড়ুন: নয়া সেনাপ্রধান দায়িত্ব নেওয়ার আগেই ধাক্কা পাক প্রশাসনের, সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন পাক তালিবানের]

এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্তা জানান, মাদকে আসক্ত ভিক্ষুদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। মঠ এখন ভিক্ষু শূন্য। এর ফলে আশেপাশের গ্রামবাসীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। যেহেতু তাঁরা কোনওরকম ‘মেরিট মেকিং’ (Merit Making) করতে পারছেন না। উল্লেখ্য, ‘মেরিট মেকিং’ বৌদ্ধদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় চর্চা বা অনুশাসন। এই প্রথা অনুসারে উপাসকরা বৌদ্ধ ভিক্ষুদের খাদ্য দান করে থাকেন। এই কাজকে পুন্যকর্ম হিসাবে গণ্য করা হয়।

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: ‘হয় স্বাধীনতা, নয় মৃত্যু’, লকডাউনের প্রতিবাদে চিনের রাজপথে হাজার হাজার মানুষ]

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, স্থানীয়রা যাতে ধর্মীয় রীতি পালন করতে পারেন তার জন্য দ্রুত ওই মঠে অন্য সন্ন্যাসীদের পাঠানো হচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, থাইল্যান্ডে মাদকের রমরমা নতুন ঘটনা না। তবে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের মাদকে আসক্ত হওয়ার ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে প্রশাসন। যদিও এর আগে থাইল্যান্ডের এক বৌদ্ধ মঠে পশুদের মাদক খাওয়ানো হত বলে অভিযোগ উঠেছিল। উল্লেখ্য, বিপুল পরিমাণ মেথামফেটামিন পাচার হয়ে আসে থাইল্যান্ডে। লাওস (Laos) থেকে মায়ানমার (Myanmar) হয়ে ঢোকে মাদক। এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় পুলিশ।

Advertisement
Next