'ফর গডস সেক হোল্ড ইওর টাং অ্যান্ড লেট মি লাভ'। জন ডানের বিখ্যাত 'দ্য ক্যানোনাইজেশন' কবিতার এই পঙক্তি নিবিড় প্রেমের যে মগ্নতার কথা বলে, মধুচন্দ্রিমায় গেলে সেটাই যে কোনও যুগলেরই প্রার্থিত কামনা। আর সেই নিবিড়তার ইচ্ছেই যেন জোর ধাক্কা খেল উত্তরপ্রদেশের এক নববধূর জীবনে। বিয়ের পরে স্বামীর সঙ্গে মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে ভিড় জমালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন! এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ তিনি। বিষয়টা গড়িয়ে গিয়েছে ডিভোর্সের দিকে! উত্তরপ্রদেশেই ঘটেছে এমন এক ঘটনা।
জানা যাচ্ছে, বিয়ের পরপরই অন্য যুগলদের মতোই উত্তরপ্রদেশের ওই নবদম্পতিও মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছিলেন। কিন্তু অচিরেই নববধূ আবিষ্কার করেন, তাঁদের সফরসঙ্গী শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদ, দেওররাও! এরপরই তিনি সটান নালিশ জানিয়েছেন এক বিবাহ কাউন্সেলিং কেন্দ্রে। ওই তরুণীর স্পষ্ট দাবি, মধুচন্দ্রিমা স্বামী ও স্ত্রীর নিভৃতে কাটানোর জন্যই। যার মাধ্যমে তৈরি হয় বোঝাপড়া। দৃঢ় হয় সম্পর্কের ভিত! পরিবারের সদস্যরা যদি সেই সময় সেখানে থাকেন, তাহলে সেই নিবিড়তা তৈরিই হয় না। এবং এর ফলে তিনি সময়ই পাননি স্বামীর কাছাকাছি থাকার। আর এই অসন্তোষের কারণেই শেষমেশ তৈরি হয় বাদানুবাদ।
যদিও ওই মহিলার স্বামীর দাবি, তিনি এই বিষয়টায় অন্যায় কিছুই দেখছেন না। তিনি বরাবরই বলে আসছেন যে, পরিবারের সবাইকে খুশি করার লক্ষ্যেই তিনি তাঁদের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। এই সফরে নিজের বাবা-মা ও ভাইবোনদের অন্তর্ভুক্ত করার মধ্যে তিনি কোনও অসঙ্গতি দেখছেন না। এবং এ বিষয়ে কোনও ভুল করেছেন বলেও মনে করেন না। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, এই দুই ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ধাক্কাতেই নতুন দাম্পত্য এখন ভেঙে পড়ার মুখে। বারবার কাউন্সেলিংয়ের পরও জট কাটেনি। পরিস্থিতি যা এখন কেবল একটাই রাস্তা খোলা। ডিভোর্সের।
