Advertisement

‘মানুষের মতো বাঁচার অধিকার আছে করোনা ভাইরাসেরও’, বলছেন উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

04:58 PM May 14, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার প্রকোপ যত বাড়ছে, বিজেপি নেতাদের বেফাঁস কথাবার্তার পরিমাণও যেন ততটাই বাড়ছে। দিন দুই আগেই মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী ঊষা ঠাকুর (Usha Thakur) বলছিলেন, মাস্ক পরার তেমন প্রয়োজন নেই। চারদিন ধরে ‘যজ্ঞ চিকিৎসা’ করলেই মুক্তি মিলবে করোনার প্রকোপ থেকে। এবার আরেক কাঠি উপরে উঠে পড়লেন উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত (Uttarakhand CM Trivendra Rawat)। করোনা ভাইরাসের প্রতি একপ্রকার ‘সহমর্মিতা’ দেখালেন তিনি। বলে দিলেন, “করোনাও তো মানুষের মতো জীব। ওদেরও বেঁচে থাকার অধিকার আছে।” রাওয়াতের এই ‘দার্শনিক’ মন্তব্যে বেজায় চটেছেন নেটিজেনদের একাংশ। নেটদুনিয়ায় চলছে হাসাহাসিও।

Advertisement

ঠিক কী বলেছিলেন রাওয়াত (Trivendra Rawat) ? এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়,”দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যদি দেখা যায়, তাহলে বলতে হবে করোনা ভাইরাসও আমাদের মতোই জীবন্ত। তাদেরও আমাদের মতো বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। তবে আমরা মানুষরা তো নিজেদের সবচেয়ে বুদ্ধিমান বলে মনে করি। সেই কারণে এদের নির্মূল করতে চাইছি। তাই করোনাভাইরাসও (CoronaVirus) নিজেকে ক্রমাগত পরিবর্তন করে চলেছে।” যদিও করোনার বাঁচার অধিকার নিয়ে সরব হলেও পরে সামলে নিয়েছেন রাওয়াত। তিনি জানিয়েছেন, মানুষকে বাঁচার জন্য অবশ্য করোনাকে নির্মূল করতেই হবে। মানব সভ্যতার উপর যখন কঠিন সংকট তখন করোনার প্রতি বিজেপি নেতার এই ‘দার্শনিক’ দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশিতভাবেই নাপসন্দ নেটদুনিয়ার। রাওয়াতকে নিয়ে হাসাহাসি শুরু হয়েছে। কেউ বলছেন, “রাওয়াতের মতো নেতাদের দেখলে বোঝা যায়, কেন অল্পবিদ্যাকে ভয়ংকর বলা হয়।” কেউ আবার রসিকতা করে বলছেন,”তাহলে কি এবার করোনাকে সেন্ট্রাল ভিস্তায় রাখা হবে?”

[আরও পড়ুন: চারদিন যজ্ঞ করলেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ থেকে মুক্তি! আজব নিদান মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রীর]

প্রসঙ্গে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের দাপটে এই মুহূর্তে ত্রস্ত গোটা দেশ। গত ৬ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লক্ষের বেশি মানুষ। এসবের মধ্যেই কয়েক সপ্তাহ আগে হরিদ্বারে আয়োজিত হয়েছে কুম্ভমেলা। লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী সেই মহাকুম্ভে স্নান করেছেন। ওই ইভেন্টটিও সুপার স্প্রেডারের মতো সংক্রমণ ছড়িয়েছে গোটা দেশে। যদিও, রাওয়াত সেসময় উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না। কুম্ভমেলার (Kumbh Mela) কিছুদিন আগেই দলীয় বিধায়কদের চাপে ইস্তফা দিতে হয় তাঁকে।

Advertisement
Next