গুজরাটে সোনা, হিরে দিয়ে তৈরি হয়েছে রাখি! দাম জানলে চমকে যাবেন

06:13 PM Aug 11, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভাই-বোনের পবিত্র ভালবাসার উৎসব রাখিবন্ধন (Raksha Bandhan)। অটুট সম্পর্কের উৎসব। বৃহস্পতিবার গোটা দেশে যা পালিত হচ্ছে। ভাইয়ের হাতে রাখি পরিয়ে দিচ্ছেন বোন। সঙ্গে চলছে মিষ্টিমুখ, উপহার দেওয়া-নেওয়ার পালা। এর মধ্যেই খোঁজ মিলল এবারের উৎসবের সবচেয়ে দামি রাখির। গুজরাটের (Gujarat) একটি গয়নার দোকান সোনা-রুপো, মণি-মুক্ত দিয়ে গড়ে ফেলেছে হরেক রাখি। তার মধ্যেও আকাশ ছোঁয়া দাম যে রাখিটির সেটিতে সোনার উপরে হিরে বসানো বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, সুরাটের (Surat) ওই গয়নার দোকানে মিলছে বিভিন্ন দামি ধাতুর রাখি। তার মধ্যে রয়েছে ব্রোঞ্জ, রুপো ও সোনার রাখি। তবে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হল একটি সোনার রাখি। যেটিতে আবার হিরে বসানো। রাখির দাম ৫ লক্ষ টাকা। যদিও তাঁদের দোকানে সব ধরনের আর্থিক অবস্থার মানুষের জন্য রাখি রয়েছে বলে দাবি করেছেন গয়নার দোকানের কর্ণধার দীপক ভাই চোকসি (Deepak Bhai Choksi)। জানিয়েছেন, তাঁর দোকানে ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ লক্ষ টাকা অবধি রাখি রয়েছে।

[আরও পড়ুন: উদয়পুর হিংসায় খুন হওয়া দরজির দোকানের কাছে মহরমের তাজিয়ায় আগুন, নেভাল হিন্দু পরিবার]

দীপক ভাই আরও জানিয়েছেন, ৫ লাখের রাখিতে সোনা দিয়ে ওম লেখা হয়েছে। এছাড়াও তাতে হিরে বসিয়ে শ্রীবৃদ্ধি করা হয়েছে। আরও বলেন, “আমরা এমন রাখি তৈরি করেছি যে রাখি উৎসবের দিনটির পরেও বাহুবন্ধনী হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকরা। কিছুটা অন্যভাবে এই উৎসবকে পালন করতেই চেয়েই দামি ধাতুর এই রাখি তৈরি করা হয়েছে।” সুরাটের ওই দোকানে রাখি কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, “বিভিন্ন ধরনের রাখি পাওয়া যাচ্ছে এখানে। রয়েছে ব্রোঞ্জ, রুপো, সোনার রাখি। ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ লক্ষ টাকার রাখি পাওয়া যাচ্ছে।”

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: দিল্লি, মুম্বইয়ে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, খানিকটা স্বস্তি দেশের অ্যাকটিভ কেসে]

যুগের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে রাখিবন্ধনের মতো একান্ত পারিবারিক উৎসবের ধরণ। এখনও গ্রামে ভাইয়ের হাতে রঙিন সুতো বেঁধে উৎসব পালন করেন বোন। সঙ্গে বড়জোর মিষ্টিমুখ। ভাইবোনের আন্তরিকতাই হয়ে ওঠে উৎসবের চালিকা শক্তি। একটি কাহিনি বলছে, শিশুপাল বধের সময় আহত হয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। তখন দ্রৌপদী ওই আঘাতের জায়গায় কাপড় বেঁধে দেন, যাতে করে ক্ষতস্থানের উপশম হয়। যার পর শ্রীকৃষ্ণ কথা দেন, দ্রৌপদীকে আজীবন রক্ষা করবেন। সেই থেকে শুরু রাখিবন্ধন উৎসবের।

Advertisement
Next