গলায় ১০০-৫০০ নোটের মালা, তেলেঙ্গানায় গণেশের সাজে খরচ ২ কোটি! চোরের ভয়ে ঘুম ছুটেছে উদ্যোক্তাদের
Kishore Ghosh
তিনি সিদ্ধি বিনায়ক। তাঁর আশীর্বাদে ভাগ্য খুলে যায় বলেই বিশ্বাস জনতার। ফলে পাড়ার ছোট দোকান থেকে শহরের বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে গণেশ পুজো হবেই। তেলেঙ্গানার (Telengana) ওয়ারাঙ্গালেও হচ্ছে গজানন আরাধনা। তবে কিনা এই পুজো অভিনব। যেহেতু অসংখ্য ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ টাকার নোট দিয়ে সাজানো হয়েছে গনেশ মূর্তিটিকে। বিরাট বিগ্রহের সাজে মোট খরচ হয়েছে ১ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা। বান্ডিল বান্ডিল টাকা দিয়ে সাজানো এই গণেশ ঠাকুরকে দেখতে উপচে পড়ছে ভিড়।
ওয়ারাঙ্গাল জেলার শিবনগরের বাসভি কলোনিতে অবস্থিত বিনায়ক ট্রাস্ট ভবনে প্রতিবার হয় এই পুজো। এলাকায় যা 'ধনলক্ষ্মী' পুজো নামেই পরিচিত। আয়োজকরা জানাচ্ছেন, এবছরে সাজসজ্জায় ব্যবহৃত মুদ্রার মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর ১ কোটি ৫১ লক্ষ টাকার নোট ব্যবহার করা হয়েছিল। চলতি বছরে আরও ৪২ লক্ষ টাকা যুক্ত হওয়ায় মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা।
আরও পড়ুন:
মুম্বইয়ের পরে তেলঙ্গানার গণেশ পুজো বিখ্যাত। হায়দরাবাদ শহরে একাধিক বড় বাজেটের পুজো হয়ে থাকে। তথাপি, ওয়ারাঙ্গালের অভিনব 'ধনলক্ষ্মী' পুজো ভক্তদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। সাধারণ মানুষ এখানে আর্থিক সমৃদ্ধি, ব্যবসার প্রসার ও সৌভাগ্যের কামনায় প্রার্থনা করতে আসছেন। যদিও ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিন্তাও বাড়ছে উদ্যোক্তাদের। কেন?
একদিকে প্রায় দু'কোটি টাকা দিয়ে সাজানো গণেশ মূর্তি, অন্নদিকে উপচে পড়া ভিড়। এই অবস্থায় চোরের উপদ্রব ঠেকাতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুজো মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরে যেমন নিরাপত্তাকর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে, তেমনই সিসি ক্যামেরা দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে গোটা চত্বর। যাতে করে তস্করবৃত্তিতে সিদ্ধি লাভ না হয়!