দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল
The Vvaan

সত্যিই রয়েছে সিদ্ধার্থ-তামান্নার ছবিতে দেখানো বনদেবীর মন্দির! সন্ধের পর এড়িয়ে চলে মানুষ

স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই দেবী আসলে মা বিন্ধ্যবাসিনীরই এক রূপ।
Utsa Tarafdar
11:27 AM Sep 26, 2026 IST
স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই দেবী আসলে মা বিন্ধ্যবাসিনীরই এক রূপ।
ছবির লেখক অরুণাভ কুমার জানিয়েছেন, ছবির গল্প লেখার মূল অনুপ্রেরণা বিহারের এই মন্দিরটির থেকেই পেয়েছেন তিনি।

বন ও বনদেবীকে ঘিরে রহস্যময় উপাখ্যান, একদিকে যুগ যুগ ধরে লোকমুখে প্রচলিত লোককাহিনী, অন্যদিকে অসহায় মানুষ। এ কাহিনী সম্প্রতি রিলিজ হওয়া সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও তামান্না ভাটিয়া অভিনীত ‘দ্য বন: ফোর্স অফ দ্য ফরেস্ট' (The Vvaan) ছবির। তবে জানেন কি, নেহাত গল্পকথা নয়, বিহারে নাকি সত্যিই রয়েছে এমন এক মন্দির (Van Devi Temple)!

জঙ্গলের এক্কেবারে মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এই মন্দিরটিতে সন্ধ্যার পর আসে না কেউ! সন্ধ্যার আরতি সেরে পুরোহিত মন্দির ছেড়ে চলে গেলেই খাঁ খাঁ শূন্যতায় ভরে ওঠে সব। এমনকী মন্দিরের আশপাশের জঙ্গলেও রাতের বেলা প্রবেশ নিষেধ। এখানেই অধিষ্ঠান করেন বনদেবী।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

বিহারের পাটনা জেলার বিহটার কাছে অবস্থিত এই মন্দিরটি মূল পাটনা শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ বছরের পুরনো এই মন্দিরের বিশেষত্ব হল, এখানে কোনও প্রচলিত বিগ্রহের পুজো হয় না। পরিবর্তে একটি পবিত্র পিণ্ডকে দেবীর রূপ হিসেবে পুজো করেন ভক্তরা। স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী, রাতের অন্ধকারে স্বয়ং মা বনদেবী মন্দির চত্বরে ঘুরে বেড়ান। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েই সন্ধ্যার পর মন্দির ও জঙ্গল এলাকা থেকে দূরে থাকেন স্থানীয়রা।

লোককথা জানায়, এই মন্দিরের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে বিদ্যানন্দ মিশ্র নামে এক ভক্তের সঙ্গে। রঘোপুরের বাসিন্দা মা বিন্ধ্যবাসিনীর একনিষ্ঠ ভক্ত বিদ্যানন্দ নিয়মিত বিন্ধ্যাচলে পুজো দিতে যেতেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পক্ষে দূরে যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়ে। কথিত আছে, একদিন স্বপ্নে দেবী তাঁকে নিজের একটি পবিত্র পিণ্ড গ্রামে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সেই দৈব নির্দেশ মেনে বিদ্যানন্দ পিণ্ডটি নিয়ে এসে নিজের বাড়ির কাছে জঙ্গলে স্থাপন করেন।

প্রথমদিকে সেখানে কোনও বড় মন্দির ছিল না। সাধারণ কুটিরেই পুজো হত দেবীর। ঘন জঙ্গলের মধ্যে দেবীর অবস্থানের কারণে ধীরে ধীরে তিনি পরিচিত হন বনদেবী নামে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই দেবী আসলে মা বিন্ধ্যবাসিনীরই এক রূপ। স্থানীয় বিবরণে ১৯৫৮ সালে সাধক ভগবান দাস ত্যাগীর উদ্যোগে মন্দিরের উন্নয়নের কথা জানা যায়। পরে ১৯৯৭ সালে আরও এক দফা নির্মাণকাজ চলে।

‘দ্য বন: ফোর্স অফ দ্য ফরেস্ট' ছবির লেখক অরুণাভ কুমার জানিয়েছেন, ছবির গল্প লেখার মূল অনুপ্রেরণা বিহারের এই মন্দিরটির থেকেই পেয়েছেন তিনি। সূর্যাস্তের পর মন্দির ও জঙ্গলে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকার প্রথাই জায়গা পেয়েছে তাঁর ছবিতে।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
Bollywood MoviesHindu TempleSidharth MalhotraTamannaah Bhatia
Advertisement
Tags :
Bollywood MoviesHindu TempleSidharth MalhotraTamannaah Bhatia

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন