Advertisement

চাঁদের টান, আগামী ১০ বছরে সমুদ্র চারগুণ ফুলেফেঁপে উঠে ভাসবে উপকূল, হুঁশিয়ারি NASA’র

08:06 PM Jul 18, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খলনায়ক বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming)। তার জেরে আরও কত বিপদ যে ধেয়ে আসছে, তার ঠিক নেই। তেমনই এক অশনি সংকেত দিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA)। তাদের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ২০৩০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে পৃথিবীতে বন্যা পরিস্থিতি চারগুণ বৃদ্ধি পাবে। আর এর নেপথ্যে রয়েছে চাঁদ (The moon)। 

Advertisement

নাসার বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, চন্দ্র চক্রের প্রভাব পড়বে জলবায়ু পরিবর্তনের উপর। আর তার জেরে সমুদ্রের জলতল (Rise of sea level) বেড়ে গিয়ে বন্যা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। চন্দ্র, সূর্যের অবস্থানের উপরই জোয়ার-ভাঁটা চলে। যে কারণে অমাবস্যা-পূর্ণিমায় হড়পা বান, ক্রান্তীয় বন্যা, প্লাবনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি প্রায় প্রতিদিনই হয়ে থাকেন আমজনতা। একটার বিপদ কাটতে না কাটতেই নতুন বিপর্যয় নেমে আসে। এবার নাসার তথ্য বলছে, চাঁদের কক্ষপথে নানা পরিবর্তনের জেরেই পৃথিবীতে দুর্যোগ ঘনিয়ে আসতে পারে।

[আরও পড়ুন: সুমেরুতে বজ্রপাত! বিরল দৃশ্যে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা, ‘ভিলেন’ সেই Global Warming]

হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী, উত্তরের উপকূলীয় অঞ্চলের ভূতাত্বিক দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া সুদূরপ্রসারী। হিমবাহ গলে (Glacier melting) ভূপৃষ্ঠে স্থলভাগের পরিমাণ ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলতলের ভাগ ক্রমবর্ধমান এবং সেই কারণেই এক যুগ পর থেকেই পৃথিবীতে বন্যার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তবে এটাই প্রথম নয়। আগে বেশ কয়েকবার নানা সমীক্ষায় এই ধরনের তথ্য উঠে এসেছিল। এবারের তা নিয়ে আরও বেশি আশঙ্কা ঘনাচ্ছে। এবং বন্যার এই ভয়াবহ রূপ অচিরেই প্রত্যক্ষ করতে পারবেন বিশ্ববাসী। আর তারই সতর্কবার্তা দিচ্ছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

[আরও পড়ুন: অসময়েই এলাকায় ভিড় বিভিন্ন প্রজাতির পাখির, গাছের ডালে কৃত্রিম বাসা তৈরি পুলিশের]

Advertisement
Next