Advertisement

IPL-এর বেতনে চলছিল চিকিৎসা, বাঁচানো গেল না রাজস্থানের তরুণ পেসারের বাবাকে

06:01 PM May 09, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসুস্থ ছিলেন আগেই। তার উপর শরীরে বাসা বেঁধেছিল মারণ করোনা ভাইরাস (Covid-19)। এই অবস্থায় বাবাকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের (Rajasthan Royals) পেসার চেতন শাকারিয়া। এমনকী দলের কাছ থেকে পাওয়া বেতনও খরচ করেছিলেন বাবার চিকিৎসায়। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। রবিবারই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তাঁর বাবা। রাজস্থান রয়্যালসের পক্ষ থেকে টুইট করে সেই খবর জানানো হয়। আর এটা জানতে পেরেই ভারতীয় ক্রিকেটমহলেও নেমে এল শোকের ছায়া।

Advertisement

আইপিএল চলাকালীনই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন শাকারিয়ার বাবা কাঞ্জিভাই শাকারিয়া। তার মধ্যেই তার কোভিড রিপোর্টও পজিটিভ আসে। যা তাঁর পরিবারেরও চিন্তা বাড়ায়। এদিকে, খুবই গরিব পরিবারের হওয়ায় তাঁদের একমাত্র ভরসা ছিল ছেলে শাকারিয়াই। যদিও বিপদে পরিবারের পাশে দাঁড়ানও চেতন। রাজস্থান রয়্যালসের কাছ থেকে বেতনের কিছু অংশ পান। আর পুরোটাই পাঠিয়ে দেন বাড়িতে, যাতে বাবার চিকিৎসায় তা খরচ করা যায়। পরবর্তীতে এই প্রসঙ্গে জানান, ‘আমি ভাগ্যবান যে, কিছু দিন আগে আমার প্রাপ্য টাকার একটা অংশ রাজস্থান রয়্যালস দিয়েছিল। সেই টাকা আমি সোজা বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। এই কঠিন সময়ে ওই টাকাটা আমার বাড়ির খুবই দরকার ছিল। বাড়ির মধ্যে আমিই একা রোজগেরে। আইপিএল আমার জীবনটা বদলে দিয়েছে।’ এরপর আইপিএল স্থগিত হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে গিয়ে বাবাকে দেখেও এসেছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা আর হল না।

[আরও পড়ুন: কোভিড মোকাবিলায় এগিয়ে এল CSK, বড়সড় পদক্ষেপ ধোনির দলের]

এদিন রাজস্থানের পক্ষ থেকে টুইটে জানানো হয়, “খুবই দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, কাঞ্জিভাই শাকারিয়া করোনার সঙ্গে লড়াই করতে করতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। আমরা চেতনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। এই কঠিন সময়ে তাঁর এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে আমরা সবাই রয়েছি। যতটা সম্ভব সাহায্য আমরা করব।” ইতিমধ্যে ক্রিকেট মহলের আরও অনেকেই টুইটে শোকপ্রকাশ করেছেন।

 

প্রসঙ্গত, আইপিএল শুরুর আগে নিজের ছোট ভাইকে হারিয়েছিলেন। আত্মহত্যা করেছিলেন চেতন শাকারিয়ার ছোট ভাই। তখন সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি চলছিল। তাঁর মা সঙ্গে সঙ্গেই এই খবর তাঁকে দেননি। যাতে চেতনের খেলায় কোনও প্রভাব না পড়ে। কিন্তু ১০দিন পর যখন ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ জানতে পারেন চেতন, তখন খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। প্রায় এক সপ্তাহ কারও সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। আর এবার হারালেন বাবাকেও।

[আরও পড়ুন: মালদ্বীপে কোভিডবিধি ভেঙে শাস্তির মুখে বেঙ্গালুরুর ফুটবলাররা, কড়া বার্তা ক্লাব কর্তার]

Advertisement
Next