‘এটা কি বিতর্ক তৈরির সময়? খেলায় মন দাও’, কোহলিকে বিঁধলেন ক্ষুব্ধ কপিল

02:14 PM Dec 16, 2021 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিন আগেই ভারতীয় ক্রিকেটে রীতিমতো ঝড় বয়ে গিয়েছে। সেই ঝড় মাথায় নিয়েই বৃহস্পতিবার ভোরে দক্ষিণ আফ্রিকায় উড়ে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। বিসিসিআইয়ের (BCCI) সরকারি টুইটার হ্যান্ডলে বুমরাহ, উমেশ যাদব, রাহানে, পূজারাদের ছবি পোস্ট করে সে খবর জানান দেওয়া হয়েছে। গতকাল সাংবাদিক বৈঠকে বিরাট কোহলির (Virat Kohli) বিস্ফোরণের পর বোর্ডের তরফে সরকারি আপডেট আপাতত এটুকুই। অন্তত প্রকাশ্যে অধিনায়কত্ব বিতর্কের ছিটেফোঁটাও দেখা যাচ্ছে না।

Advertisement

তাহলে কি কোহলির বিরাট বিস্ফোরণ এবং বিসিসিআইয়ের পালটা তাঁকে মিথ্যেবাদী বলে দেওয়ার একদিন পরই সব শান্ত হয়ে গেল? ঝড় থেমে গেল? একেবারেই তেমন নয়। বরং, একে ঝড়ের পূর্বের স্থিতাবস্থা বলা যায়। সূত্রের খবর, বিসিসিআইয়ের তরফে সরকারিভাবে বিরাটের বক্তব্য খণ্ডন করা হবে। এমনকী অসত্য ভাষণের জন্য ভারত অধিনায়ককে শোকজও করা হতে পারে। তার আগে খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই এক বিশ্বজয়ী অধিনায়কের সমর্থন পেয়ে গেল ভারতীয় বোর্ড।

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: EXCLUSIVE: ‘অসত্য ভাষণের দায়ে’ উলটে কি কোহলিকে শোকজ করতে চলেছে বোর্ড?]

কোহলির উদ্দেশে কপিল দেব (Kapil Dev) বলে দিলেন, “এই সময় কারও দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা ঠিক নয়। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর আসছে। দয়া করে খেলার দিকে মনোযোগ দাও।” তাঁর সাফ কথা, ”কে ভুল বা কে ঠিক, সেটা তো প্রমাণ হয়েই যাবে। কিন্তু এখন বিতর্ক তৈরির কি খুব দরকার ছিল? তুমি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করো, দেশের জন্য ভাবো। সেটাই তোমার জন্য ভাল।” টিম ইন্ডিয়ার বিশ্বজয়ী অধিনায়ক বলছেন,”যত যাই হোক একজন বোর্ড প্রেসিডেন্ট কিন্তু বোর্ড প্রেসিডেন্টই। আবার অধিনায়ক হওয়াটাও কম ব্যাপার নয়। একে অপরের ব্যাপারে এভাবে প্রকাশ্যে বাজে কথা বলে কারওরই ভাল হচ্ছে না।”

[আরও পড়ুন: ফের বর্ণবৈষম্য বিতর্কে তোলপাড় দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট! এবার কাঠগড়ায় ডি’ভিলিয়ার্স-স্মিথ]

এর আগে অবশ্য আরেক প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর কোহলির পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, যে প্রশ্নগুলি উঠছে, সেই প্রশ্নের জবাব সৌরভের বোর্ডকে দিতে হবে। ওয়াঘার ওপার থেকেও সমর্থন পেয়েছেন বিরাট। প্রাক্তন পাক অধিনায়ক সলমন বাট বলে দিয়েছেন, বহু প্রশ্নের জবাব দিতে হবে সৌরভকে (Sourav Ganguly)। সব মিলিয়ে বিতর্ক চলছেই। আর এই পরিস্থিতিতে একটা প্রশ্ন কিন্তু উঠেই যাচ্ছে? এতে কার ক্ষতি হচ্ছে, বিরাটের নাকি সৌরভের? নাকি ভারতীয় ক্রিকেটের? এত কিছুর পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে মনসংযোগ রাখা যাবে তো?

Advertisement
Next