অবশেষে মুক্তি! দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকেই উঠে যাচ্ছে জৈব বলয়, জানালেন জয় শাহ

04:36 PM May 29, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে বায়ো বাবলের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকেই জৈব বলয় উঠে যাচ্ছে। জানিয়ে দিলেন বিসিসিআই (BCCI) সচিব জয় শাহ। অর্থাৎ আইপিএলেই গৃহবন্দি থেকে খেলার পর্ব শেষ। এরপর খোলা হাওয়ায় নিঃশ্বাস নিতে পারবেন ক্রিকেটাররা।

Advertisement

২০২০ সালে করোনা ভাইরাস (Coronavirus) হানা দেওয়ার পর দীর্ঘদিন মাঠে বল গড়ায়নি। তারপর দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হলেও কড়া নিয়মবিধি জারি করা হয় ক্রিকেটারদের জন্য। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, কোভিড থেকে সুরক্ষিত থাকতে জৈব বলয়ের মধ্যেই থাকতে হবে তাঁদের। এর জন্য অনেক সময় দীর্ঘদিন পরিবারের থেকে দূরে থাকতে হয়েছে খেলোয়াড়দের। তবে বিসিসিআই সচিব জয় শাহ এবার জানিয়ে দিলেন, আইপিএলেই (IPL 2022) শেষবার এই দুঃসহ বন্ধনের মধ্যে থাকতে হয়েছে ক্রিকেটারদের। এরপর আর বায়ো বাবলে থাকতে হবে না ক্রিকেটারদের।

[আরও পড়ুন: এক বছরে দেশে জাল নোট বেড়ে দ্বিগুণ! রিজার্ভ ব্যাংকের তথ্য তুলে মোদিকে তোপ তৃণমূলের]

জয় শাহ (Jay Shah) এদিন বলেন, “আমি যদি ভুল না হই, আইপিএলেই বায়ো বাবল পর্ব শেষ হয়ে যাচ্ছে। ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকেই জৈব বলয় আর থাকছে না। শুধু করোনা পরীক্ষা করানো হবে।” জৈব বলয়ের জীবন যে সত্যিই ক্রিকেটারদের জন্য দুঃসহ সেটা মেনে নিয়েছেন বোর্ড সচিব। তিনি বলছেন,”হ্যাঁ ক্রিকেটারদের জন্য বায়ো বাবলে থাকাটা খুব কঠিন। কিন্তু আইপিএলে আমরা পরিবারের মতোই রেখেছিলাম ওদের। পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন ক্রিকেটারদের সঙ্গে। সব দলের জন্য আলাদা আলাদা হোটেল ছিল। আলাদা লাউঞ্জ ছিল।”

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: বিজেপি-আরএসএসের অনেক আগে এসেছিল মুঘলরা, হিন্দুত্ববাদীদের হুঙ্কার ওয়েইসির]

আসলে দীর্ঘদিন ধরে বায়ো-বাবলে থাকার কারণে মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন ক্রিকেটাররা। এমন কথা ভারতীয় দলের একাধিক তারকার মুখেও শোনা গিয়েছে। সেই কারণেই নাকি এবার বিসিসিআই রোহিতদের (Rohit Sharma) জৈব বলয় মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। প্রসঙ্গত, লাগাতার কড়া বিধিনিষেধ জারি রেখে এবং টিকাকরণে জোর দিয়ে দেশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে করোনা ভাইরাসকে। মাঠে ফিরেছে দর্শকও। এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের আর জৈব বলয়ে না রাখলেও চলবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
Next