আইসিসির বৈধতার পরও মানকড়িং নিয়ে ‘কান্না’ইংরেজদের! সরব অ্যান্ডারসন-ব্রড, জবাব ভারতের

10:03 AM Sep 25, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝুলন গোস্বামীর (Jhulan Goswam)  কেরিয়ারের শেষ ম্যাচে অযাচিত বিতর্ক। ইংল্যান্ড মহিলা দলের ব্যাটারকে মানকড়িং করা নিয়ে রীতিমতো কান্না জুড়ে দিয়েছে ইংরেজ ক্রিকেট মহল। অ্যান্ডারসন থেকে শুরু করে পিয়ারেস মর্গ্যান, ইংরেজরা প্রশ্ন তুলছে ভারতের খেলোয়াড়ি মানসিকতা নিয়ে। আবার পালটা জবাবও দিয়েছেন ভারতীয়রা।

Advertisement

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782001027-0'); });

আসলে ঝুলন গোস্বামীর জীবনের শেষ ম্যাচে ভারতের জয়ের জন্য যখন আর মাত্র ১ উইকেট দরকার ছিল তখন স্পিনার দীপ্তি শর্মা (Dipti Sharma) ইংল্যান্ডের নন স্ট্রাইকার চার্লি ডিনকে মানকড়িয় ভঙ্গিত রান আউট করেন। চার্লি ডিনকে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখে উইকেট ভেঙে দেন দীপ্তি। যা মেনে নিতে পারছে না ইংল্যান্ড। মাঠের মধ্যেই চোখ ছলছল করে দেখা যায় চার্লির। ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড অধিনায়ক এমি জোন্স (Emmi Jones) বলে দেন, “শেষ আউটটা নিয়ে মতবিরোধ থাকবেই। এটা খেলার নিয়মের অংশ। তবে আমি এটা সমর্থন করি না।” ম্যাচের ধারাভাষ্যকররাও বলেন, ভারত ম্যাচটা এভাবে না জিতলেও পারত। পরে গোটা ইংল্যান্ডের ক্রিকেট মহল আসরে নেমে পড়ে। স্টুয়ার্ট ব্রড যেমন টুইট করে বলেন,”আমার এই মানকড় বিতর্কটা বেশ মজাদার লাগে। আমি নিজে ম্যাচ জেতার জন্য এমনটা করব না। তবে যারা করে তাঁদের নিয়েও খারাপ কিছু বলব না।” কিংবদন্তি ইংরেজ বোলার জেমস অ্যান্ডারসনও (James Anderson) টুইট করে বলেন,”বুঝতে পারি না। এটা করার প্রয়োজনীয়তাটা কি?” টুইটে ভারতকে তোপ দেগেছেন পিয়ারেস মর্গ্যানও। তাঁর বক্তব্য,”এটা ম্যাচ জেতার একটা নিন্দনীয় উপায়। গোটা ভারতীয় দলের লজ্জা হওয়া উচিত।”

window.unibots = window.unibots || { cmd: [] }; unibots.cmd.push(()=>{ unibotsPlayer('sangbadpratidin'); });

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: ‘ঝুলনদিকে টপকানো যাবে না’, ‘চাকদা এক্সপ্রেস’-এর অবসরের দিন আবেগে ভাসছেন বাংলাদেশের জাহানারা]

বলে রাখা দরকার, এই মানকড় কিন্তু আইসিসির (ICC) নিয়ম অনুযায়ী বৈধ। এবং আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটাকে ‘আনফেয়ার প্লে’ থেকে সরিয়ে রান আউট হিসাবে গণ্য করা হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, আইসিসির নিয়মেই যখন মানকড় (Mankad) বৈধ, তখন ইংরেজরা এসব বলে কোন যুক্তিতে? তারা তো ২০১৯ আইসিসি বিশ্বকাপও জিতেছে বিতর্কিত বাউন্ডারি কাউন্ট আইনের ভিত্তিতে। আর খেলোয়াড়ি মানসিকতার কথা যদি বলা হয়, তাহলে অ্যাশেজ জেতার পর যারা মাঠেই মুত্রত্যাগ করেছিল, বা বিশ্বকাপ (T-20 World Cup) জেতার পর মাঠেই পার্টি করেছিল, তাঁরা খেলোয়াড়ি মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে সেটা হাস্যকর বলেই মনে হবে।

[আরও পড়ুন: জিতে বর্ণময় ক্রিকেট পরিক্রমা শেষ করলেন ঝুলন, আবেগের জোয়ারে ভাসল লর্ডস]

ইংরেজদের সব অভিযোগ অবশ্য নাকচ করে দিয়েছেন ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। ম্যাচ শেষে তাঁকে ওই উইকেটটি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাফ বলে দেন, আমি তো ভেবেছিলাম আমাকে ১০টা উইকেট নিয়েই প্রশ্ন করা হবে। কারণ সেগুলোও কষ্ট করেই নিতে হয়েছে। আর এটা খেলার অংশ। এতে কোনও ভুল দেখছি না। আমি দলের মেয়েদের পাশে আছি। নিয়মের বাইরে দীপ্তি কিছু করেনি।” ভারতের মানকড়িংয়ের নায়ক রবিচন্দ্রন অশ্বিনও দীপ্তি শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি টুইট করে বলেছেন,”আজ আরও এক বোলিং নায়িকাকে বরণ করে নেওয়ার সময় এসেছে।”

Advertisement
Next