Advertisement

‘শেষ ১০-১৫ বছরেও তো সাফল্য নেই!’সমর্থকদের ‘অমূলক’প্রত্যাশায় বিরক্ত লাল-হলুদ কোচ

05:36 PM Feb 27, 2021 |
Advertisement
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। আইএসএলে নিজেদের প্রথম মরশুমে চ্যাম্পিয়নশিপের ধারে-কাছেও পৌঁছতে পারেননি রবি ফাউলারের ছেলেরা। শেষ ম্যাচের আগে সমর্থকদের এই প্রত্যাশাকে কার্যত ‘অমূলক’ বলেই দাবি করলেন লাল-হলুদ কোচ। সাফ জানিয়ে দিলেন, এতখানি প্রত্যাশার কোনও মানেই হয় না।

Advertisement

ফাউলারের কথায়, “সকলকে বুঝতে হবে, প্রাথমিকভাবে দলটা আই লিগের জন্য তৈরি হয়েছিল। আর নতুন টুর্নামেন্টে খেলার জন্য আমরা মাত্র সপ্তাহ দুয়েকের প্রস্তুতির সময় পেয়েছিলাম। আই লিগের প্রসঙ্গ টানলাম বলে, অনেকে মনক্ষুণ্ণ হতে পারেন। আমি কাউকে দোষারোপও করছি না। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতিটা বোঝাতে চাইছি। প্রতিবারই সেরা দল নামানোর চেষ্টা করেছি। তবে মাঝেমধ্যে চোটের কারণে তা সম্ভব হয়নি। খারাপ পারফরম্যান্সে অনেকেরই মন ভেঙেছে। কিন্তু ক্লাবকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সব প্রচেষ্টা আগামিদিনেও করব।” এখানেই শেষ নয়। খানিক বিরক্তির সুরেই তিনি বলে দেন, “জানি না সমর্থকদের কেন এত প্রত্যাশা। কারণ শেষ ১০-১৫ বছরেও তো আই লিগ জেতেনি ক্লাব।”

একটা ম্যাচ কম খেলে এসসি ইস্টবেঙ্গল এই মুহূর্তে লিগ টেবিলের নবম স্থানে। আর তারও নিচে এগারো নম্বরে ওড়িশা এফসি (Odisha FC)। লাল-হলুদের শেষ প্রতিপক্ষ। যেহেতু কোনও অবনমন আটকানোর লড়াই নেই, তাই এবারের আইএসএলে শেষ ম্যাচটা দু’দলের জন্যই সম্মানের লড়াই। ওড়িশা শেষ ম্যাচে জিতলেও লিগ টেবিলের অবস্থানগত পার্থক্য হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে এসসি ইস্টবেঙ্গল (SC East Bengal) ম্যাচটা জিতলে আট নম্বরে থাকা চেন্নাইনের সঙ্গে একই পয়েন্টে পৌঁছতে পারার সম্ভাবনা রয়েছে। তার উপর শেষ ম্যাচ জিতে ভালয় ভালয় এই মরশুমের আইএসএল শেষ করতে চাইছে লাল-হলুদ বাহিনী।

[আরও পড়ুন: বিয়ের জন্যই কি চতুর্থ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন বুমরাহ? শুরু গুঞ্জন]

শেষ ম্যাচটা আরও একদিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ এসসি ইস্টবেঙ্গলের জন্য। চার ম্যাচের নির্বাসন কাটিয়ে শেষ ম্যাচে কোচের চেয়ারে ফিরছেন রবি ফাউলার। শুক্রবার তাই ওড়িশা ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, শেষ ম্যাচে সেরা একাদশই নামাবেন। মানে, গোলে যেমন ফিরছেন সুব্রত পাল। সেরকম ফরোয়ার্ডেও শুরু থেকে ফিরছেন ব্রাইট, পিলকিংটনরা।

আগের ম্যাচে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের (North East United) বিরুদ্ধে ব্রাইট, পিলকিংটনকে না খেলানো নিয়ে যেভাবে সমালোচনা হয়েছে, তার উত্তরে এদিন ঘরোয়া আলোচনায় ফাউলার জানান, চোট থাকলে কী করে খেলানো সম্ভব? ডার্বি ম্যাচে দুই ফুটবলারই চোট পেয়েছিলেন। ফলে খেলানো সম্ভব হয়নি। যেটাকে মাঠের বাইরে অনেকের মনে হয়েছে, প্রথম দলে আমূল পরিবর্তন করেছিলেন ফাউলার। আসল তথ্য হল, চোটের জন্য দু’জনকেই খেলানো সম্ভব হয়নি। চোট সারতেই শনিবার শুরু থেকে মাঠে নামবেন ব্রাইট আর পিলকিংটন।

চোট আর কার্ড নিয়ে ওড়িশা ম্যাচের আগেও সমস্যা সামান্য রয়েছে। তবে সেসব নিয়ে খুব একটা ভাবতে রাজি নন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। যেমন, চোট কাটিয়ে ব্রাইট, পিলকিংটনকে দলে ফেরানোর ভাবনা হলেও চোটের জন্য শেষ ম্যাচে ওড়িশার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন না দলের নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার স্টেইনম্যান। সেরকম কার্ড সমস্যায় নেই স্কট নেভিলও। ফলে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে ফাউলারের বিদেশিরা হলেন, ব্রাইট, পিলকিংটন, মাঘোমা, অ্যারন এবং ড্যানি ফক্স।

[আরও পড়ুন: তৃতীয় টেস্টের পিচ নিয়ে এবার তীব্র কটাক্ষ যুবরাজের, পালটা শোনালেন নেটিজেনরাও]

আজ আইএসএলে
ওড়িশা এফসি বনাম এসসি ইস্টবেঙ্গল
গোয়া, সন্ধে ৭.৩০
স্টার স্পোর্টস ২

Advertisement
Next