গোলের সেঞ্চুরিতে ট্রফিজয়ের রেকর্ড, মায়ামিকে চ্যাম্পিয়ন করে খোদ লিগ কর্তার দিকে মারমুখো মেসি
Arpan Das
গোল করলেন, গোল করালেন। ট্রফ্রি জিতলেন। আমেরিকায় নতুন নজির গড়লেন। যা যা করে থাকেন, সবই করলেন লিওনেল মেসি। এরপর মেজাজ হারিয়ে ঝামেলাতেও জড়ালেন। সাম্প্রতিক সময়ে মাঠের বাইরে বিবাদে প্রায়ই জড়িয়ে পড়ছেন আর্জেন্তিনীয় কিংবদন্তি। তাও সেটা কার সঙ্গে? খোদ আমেরিকার লিগের প্রধান কর্তার সঙ্গে।
এমনিতে খুব একটা ছন্দে নেই ইন্টার মিয়ামি। মেজর সকার লিগে টানা তিন ম্যাচে জয় নেই। সেই দুরবস্থা কাটল চ্যাম্পিয়ন্স কাপে। যেখানে আমেরিকা ও মেক্সিকোর দুই সেরা ক্লাব মুখোমুখি হয়। ইন্টার মায়ামি খেলতে নেমেছিল ক্রুজ আজুলের বিরুদ্ধে। ২-০ গোলে জিতল মেসির দল। ২৪ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন মেসি। দ্বিতীয়ার্ধে মেসিরই কর্নার থেকে গোল করেন কাসেমিরো।
আরও পড়ুন:
মেসির আগমনের পর শিরোপা জেতা শুরু হয় ইন্টার মায়ামির। তিন বছরে তাদের শো-কেসে উঠল চতুর্থ ট্রফি। সেখানে মায়ামির জার্সিতে শততম গোলটি পেলেন মেসি। সব মিলিয়ে গোল হল ৯২৯। কাকতালীয়ভাবে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর মেসির প্রথম গোলও এসেছিল এই ক্রুজ আজুলের বিপক্ষেই। আর ৩৯ বছর বয়সি তারকার হাতে উঠল মোট ৪৯টি ট্রফি। ফুটবলের ইতিহাসে আর কেউ এত ট্রফি জেতেনি। আর্জেন্টিনার হয়ে তো বটেই, যে দেশের ক্লাবে খেলেছেন, সেখানেই ট্রফি জিতেছেন।
তবে ম্যাচ শেষে বিতর্কেও জড়ালেন। ট্রফি নিয়ে বেরোনর সময় এমএলএসের প্রধান কর্তা ডন গার্বারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু করেন। তাঁর দিকে আঙুল তুলে কথা বলতে থাকেন বিশ্বজয়ী তারকা। একবার নয়, একাধিকবার তাঁকে নিশানা করেন। কেন মেসি ডনকে নিয়ে হতাশ, বা কী নিয়ে কথা বলেছেন তা জানা যায়নি। এমনকী ম্যাচের মধ্যে রেফারির উদ্দেশ্যে তোপ দাগেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, "জঘন্য রেফারিং, জঘন্য। লজ্জা হওয়া দরকার।"