চার মাসে দ্বিতীয়বার, বিশ্বের এক নম্বর কার্লসেনকে ফের কিস্তিমাত ভারতীয় কিশোরের

01:39 PM May 21, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাথা নাকি অত্যাধুনিক কম্পিউটর! কী রয়েছে মস্তিষ্কের ভিতর! কীভাবে এত নিখুঁত ভাবতে পারে সে! চার মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার বিশ্বের এক নম্বর ম্যাগনাস কার্লসেনকে মাটি ধরানো ভারতীয় কিশোরের প্রশংসার ঠিক এভাবেই ভাষা হারিয়েছেন নেটিজেনরা।

Advertisement

গত ফেব্রুয়ারিতে কার্লসেনের বিরুদ্ধে কিস্তিমাত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় কিশোর রমেশবাবু প্রজ্ঞনা নান্ধা। সেই স্মৃতি ফিকে হতে না হতেই ফের বাজিমাত। আরও একবার বিশ্বসেরা কার্লসেনকে হারিয়ে নজির গড়ল সে। যে গ্র্যান্ডমাস্টারকে একবার হারানোই বিরাট বড় সাফল্যের, তাঁকেই নাকি মাত্র চার মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার পরাস্ত করল ১৬ বছরের দাবারু। ভারতের গর্ব আজ গোটা দুনিয়ার কাছে ‘বিস্ময় বালকে’ পরিণত হয়েছে।

[আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘শিবলিঙ্গ’ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য! গ্রেপ্তার হিন্দু কলেজের অধ্যাপক]
Advertising
Advertising

শুক্রবার চেসেবল মাস্টার অনলাইন ব়্যাপিড দাবা টুর্নামেন্টের পঞ্চম রাউন্ডে মুখোমুখি হয়েছিলেন কার্লসেন এবং প্রজ্ঞনা নান্ধা। সেখানেই নরওয়ের তারকাকে চেকমেট করে নকআউটে পৌঁছনোর আশা জিইয়ে রাখল ভারতীয় কিশোর। হাড্ডাহাড্ডি এই লড়াই এগোচ্ছিল ড্রয়ের দিকেই। তবে কার্লসেনের একটা ভুল চালেই খেলা গেল ঘুরে। কালো ঘুটিতে ৪০তম চালেই গন্ডগোল করে বসেন তারকা দাবারু। আর বিশ্বকে চমকে গিয়ে আরও একবার সাফল্যের শিখরে পৌঁছে যায় প্রজ্ঞনা নান্ধা। আপাতত ১২ পয়েন্ট নিয়ে নকআউটের পথ খুলে রেখেছে সে।

২০১৬ সালে মাত্র ১০ বছর ১০ মাস ১৯ দিন বয়সে সর্বকনিষ্ঠ ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার হয়েছিল চেন্নাইয়ের এই কিশোর। মাত্র ১২ বছর বয়সে গ্র্যান্ড মাস্টার হয়ে চমকে দিয়েছিল প্রজ্ঞনা নান্ধা। চার বছর বাদে ফের চমক দেয় সে। তৃতীয় ভারতীয় হিসাবে কার্লসেনকে হারানোর কৃতিত্ব অর্জন করে প্রজ্ঞনা। এর আগে বিশ্বনাথন আনন্দ ও পি হরি কৃষ্ণের কাছে হার মেনেছিলেন কার্লসেন। তবে তাঁরা বয়সে প্রজ্ঞনার থেকে অনেকটা বড়। কার্লসেনের অর্ধেক বয়সি প্রজ্ঞনা। সেই অল্প বয়সির কাছে আবার পরাস্ত নরওয়ের তারকা। স্বাভাবিকভাবেই এমন জয়ে উচ্ছ্বসিত ‘জায়ান্ট কিলার’ প্রজ্ঞনা নান্ধা। জিতেই শান্তিতে ঘুমোতে যায় সে।

[আরও পড়ুন: SSC দুর্নীতি মামলায় ‘নায়ক’ এখন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বিচারপতির দিকেই তাকিয়ে ‘বঞ্চিত’রা]

Advertisement
Next