মহালয়ায় ইডেনের মেগা ইভেন্টে নেই মোদি! শেষ মুহূর্তে সূচি বদল, থাকতে পারেন কারা?
Anwesha Adhikary
দেবীপক্ষের সূচনায় ইডেন গার্ডেন্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চক্ষুদান থেকে শুরু করে একাধিক কার্যকলাপে অংশ নেবেন, এমনটাই খবর ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তেমনটা নাও হতে পারে। সূত্রের খবর, মহালয়ায় হয়তো ইডেনে দেখা যাবে না প্রধানমন্ত্রীকে। পরিবর্তে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ হয়তো ইডেনে আসবেন। কিন্তু কেন এমন বদল?
কথা ছিল, ইডেন গার্ডেন্সে মোদির মাধ্যমে চক্ষুদানের সঙ্গেই সূচনা হবে এবারের দুর্গাপুজোর। তার আগে থাকছে রোড শো। ১০ অক্টোবর মহালয়া। আলোকসজ্জায় সেজে ওঠা রেড রোড ধরে পুজোর শোভাযাত্রায় থাকবে ২৩টি জেলার ২৩ ধরনের নৃত্যকলা। যা তুলে ধরবে বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে। এছাড়াও ইডেনে এক হাজার মহিলার উলুধ্বনিতে মুখরিত হবে চারদিক। বেজে উঠবে ১০ হাজার ঢাক! মনে করা হচ্ছে এমন ঘটনা জায়গা করে নেবে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও। স্টেডিয়াম পরিক্রমার সময় শ্রেয়া ঘোষাল গাইবেন পুজোর গান।
আরও পড়ুন:
কিন্তু এমন মহা আয়োজনে থাকবেন না স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীই! সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসেছিলেন সিএবি আধিকারিকদের সঙ্গে। সেখানেই নাকি রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মহালয়ায় আসবেন না প্রধানমন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, চক্ষুদানের পাশাপাশি গাড়িতে চেপে গোটা স্টেডিয়াম প্রদক্ষিণ করবেন মোদি। কিন্তু তিনি না আসায় সেই পরিকল্পনাও বদল করতে হবে বলে সংস্কৃতি দপ্তর সূত্রে খবর।
ইতিমধ্যেই ইডেন চলে গিয়েছে এসপিজির হাতে। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইডেন থাকবে তাদের অধীনে। এহেন পরিস্থিতিতে ১১ অক্টোবর থেকে রনজি অভিযান শুরু করবে বাংলার ক্রিকেট দল। প্রথম ম্যাচ দিল্লির বিরুদ্ধে। ফলে ইডেনে রনজি ম্যাচ করা কার্যত অসম্ভব। সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, দুর্গাপুজো বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। ভারতের প্রধানমন্ত্রী আসবেন, সেটা তো গর্বের ব্যাপার। বলেছিলেন, রনজির ম্যাচ ইডেনে না হয়ে কল্যাণীতে হতেই পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নিজেও হয়তো আসবেন না মহালয়ায়।