৭০০ কিমি গাড়ি চালিয়ে গিয়ে প্রাক্তন স্ত্রীকে খুন করল পাক যুবক! কারণ জানলে অবাক হবেন

01:47 PM Jul 27, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টিকটক ভিডিও (Tiktok Video) করার ‘দোষে’ রক্ষণশীল প্রাক্তন স্বামীর হাতে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক পাকিস্তানি তরুণীর। ওই ভিডিও দেখে ৭০০ কিলোমিটার গাড়িয়ে চালিয়ে এসে তরুণীকে গুলি করে খুন করল আমেরিকার (America) বাসিন্দা যুবক। এরপর নিজেও আত্মঘাতী হয় সে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি গত সপ্তাহের। আমেরিকার লিওনিসেতে ঘটে। মৃতার নাম সানিয়া খান (২৯)। সানিয়ার প্রাক্তন স্বামী বছর ছত্রিশের রাহিল আহমদ। সানিয়া মানসিকতায় ছিলেন আধুনিকা। ফ্যাশনদুরস্ত পোশাক পরতেন, নিয়মিত টিকটক ভিডিও করতেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকতেন। এছাড়াও পেশাদার ফোটোগ্রাফার ছিলেন তিনি। এর ঠিক বিপরীত চরিত্রের পেশায় ব্যবসায়ী রাহিল। তাঁরা বিয়ে করলেও এক বছরও টেকেনি সম্পর্ক। চলতি বছরের মে মাসে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

[আরও পড়ুন: তাইওয়ান সফরের সম্ভাবনা জোরালো মার্কিন স্পিকারের! জল্পনার মাঝেই বৈঠকে জিনপিং-বাইডেন]

সানিয়ার চলনবলন নিয়ে প্রথম থেকেই আপত্তি ছিল রাহিলের। বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেলেও সানিয়াকে শাস্তি দেবে বলে ঠিক করেছিল রাহিল। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই সানিয়াকে খুনের ছক কষছিল সে। মাঝেও একবার প্রাক্তন স্ত্রীর উপর হামলা করে। যদিও গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এবার আর তা হয়নি।

Advertising
Advertising

সাইনার একটি টিকটক ভিডিও দেখে মাথায় আগুন জ্বলে ওঠে রাহিলের। সে ৭০০ কিলোমিটার গাড়ি চালিয়ে লিওনিসে প্রাক্তন স্ত্রীর বাড়িতে ঢোকে। জানা গিয়েছে, রাহিল যখন সানিয়ার বাড়িতে ঢোকে তখন কাছাকাছি কিছু পুলিশকর্মী ছিলেন। তাঁরাই বাড়ির ভেতর থেকে পরপর দু’টি গুলির শব্দ পান। প্রথমে সানিয়াকে গুলি করে খুন করার পর নিজেও আত্মঘাতী হন রাহিল। পুলিশের বক্তব্য, রক্ষণশীল সাহিলের ধারণা ছিল, সানিয়ার আধুনিক জীবনই তাঁদের বিচ্ছেদের কারণ।

[আরও পড়ুন: বিতর্কসভায় বাজিমাত, ব্রিটেনের মসনদের দৌড়ে ট্রাসকে পিছনে ফেললেন ঋষি]

উল্লেখ্য, ক’দিন আগেই পাকিস্তানি সমাজের রক্ষণশীলতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা করে একটি পোস্ট করেন সানিয়া। লেখেন, “একজন দক্ষিণ এশীয় মহিলার বিবাহবিচ্ছেদ হলে গোটা জীবনটাই যেন ব্যর্থ হয়ে যায়! নিজের সমাজের লোকেরাই লেবেল সেঁটে দেয় আপনার উপরে। মানসিক সমর্থন মেলে না কারও কাছ থেকে। একজনের সঙ্গে জোর করে থাকতে বলা হয়, এই জন্য যে লোকে কী বলবে! মেয়েদের জন্য সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসা কঠিন হয়ে ওঠে, যা তাঁর শুরু করাই উচিত হয়নি।”

Advertisement
Next