Advertisement

‌সেলফ আইসোলেশনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, ফের করোনা সংক্রমিত? জোরদার জল্পনা

10:28 AM Nov 16, 2020 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ একবার করোনাযুদ্ধে জিতে ফিরেছেন। তবে আবারও একবার সেলফ আইসোলেশনে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson)। আর তারপরই জোরদার জল্পনা, তবে কি ফের করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) সংক্রমিত হয়েছেন তিনি? যদিও এ বিষয়ে আশ্বাসের কথাই শুনিয়েছে ডাউনিং স্ট্রিট।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি কোভিড পজিটিভ এক ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তারপর সেলফ আইসোলেশনে চলে যান তিনি। এমনটাই জানানো হয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে। আপাতত চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো চলছেন তিনি। সূত্রের খবর, ১০, ডাউনিং স্ট্রিট থেকেই সমস্ত সরকারি কাজকর্ম সারবেন বরিস জনসন।

[আরও পড়ুন: ভারতকে কোণঠাসা করার ছক! এশিয়ার ১৪টি দেশের সঙ্গে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চিনের]

একবার সংক্রমণের পর ব্রিটেনে ফের একবার মাথাচাড়া দিচ্ছে করোনা। অনেকেই এটাকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আখ্যা দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সংস্পর্শে আসা এক ব্যক্তি করোনা পজিটিভ হন। এরপরই সেলফ আইসোলেশনে চলে যান বরিস জনসন। তবে আইসোলেশনে থাকলেও দরকারি সমস্ত কাজকর্মই সারবেন তিনি। এমনটাই জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মুখপাত্রের পক্ষ থেকে। তবে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি কেমন?‌ কিংবা কতদিনের জন্য আইসোলেশনে থাকতে হবে?‌ তা অবশ্য জানানো হয়নি। তবে ব্রিটেনের নিয়মানুযায়ী অন্তত ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

[আরও পড়ুন: নাইজেরিয়ায় দুটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ, পুলিশকর্মী-সহ মৃত কমপক্ষে ১৮]

এর আগে গত ২৫ মার্চ বরিস জনসনের সামান্য উপসর্গ ধরা পড়ে। তারপরই ব্রিটেনের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের পরামর্শে কোভিড পরীক্ষা করান। ১০ ডাউনিং স্ট্রিটেই তাঁর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতেই দেখা যায়, কোভিড-১৯ (COVID-19) আক্রান্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসময় তিনি সুস্থ ছিলেন। দেশের কাজও চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। হোম আইসোলেশনে থাকার পরও শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি না হওয়ায় এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে লন্ডনের একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। তারপরের দিন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, “প্রধানমন্ত্রীর অবস্থার অবনতি হয়। এবং মেডিক্যাল টিমের পরামর্শে তাঁকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।” তবে পরবর্তী সময়ে মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই সফল হয় তাঁর, দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন বরিস জনসন।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next