Advertisement

প্রেসিডেন্ট পদে থাকাকালীন ৪ বছরে রেকর্ড মিথ্যা বলেছেন ট্রাম্প! সংখ্যা কত জানেন?

04:00 PM Jan 24, 2021 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে ভরাডুবি থেকে ইমপিচমেন্টের খাঁড়া। সময়টা মোটেও ভাল যাচ্ছে না ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। এবার তাঁর অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে এক রিপোর্টে বলা হয়েছে প্রেসিডেন্ট পদে থাকাকালীন চার বছরে ৩০ হাজার ৫৭৩ বার মিথ্যা দাবি করেছেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নাভালনির মুক্তির দাবিতে উত্তাল রাশিয়া, রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ হাজার হাজার মানুষের]

মিথ্যা বলায় আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বেনজির পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’। সেখানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি সকালে হোয়াইট হাউস ছেড়ে যাওয়া পর্যন্ত তিনি প্রকাশ্যে ৩০ হাজার ৫৭৩ বার মিথ্যে দাবি করেছেন। তবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ, বরাবরই তথ্য বিকৃত করে এসেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, বিগত ১০ বছর ধরে রাজনীতিবিদদের দাবির সত্যাসত্য যাচাই করে দেখছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমটির একটি ‘ফ্যাক্ট চেকিং টিম’। তবে ট্রাম্প মসনদে বসার পর বিষয়টি ক্রমে জটিল হয়ে ওঠে। কারণ, প্রেসিডেন্ট হিসেবে লাগাতার নানা মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে যান তিনি। তারপর থেকেই সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘মিথ্যা’র খতিয়ান রাখা শুরু হয়। চার বছরের শেষে দেখা যায় মোট চার হাজারেরও বেশি মিথ্যা বলে ফেলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনসভা এবং নিজের টুইটার হ্যান্ডেলেই সবচেয়ে বেশি মিথ্যা দাবি করেছেন ট্রাম্প। তারা জানিয়েছে, অভিবাসীদের দল সীমান্তে পেরিয়ে আমেরিকায় ঢুকতে ধেয়ে আসছেন বলে দাবি করে ‘হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস’-কেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন তিনি। ২০১৯ সালে ফোনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং তিনি জো বিডেনের বিরুদ্ধে তদন্তের কথা জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। ওই বিষয়ে ৪ মাসে প্রায় ১ হাজার মিথ্যে কথা বলেন ট্রাম্প। সব মিলিয়ে একের পর এক মিথ্যা দাবি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন তিনি বলেই দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। বিশ্লেষকদের মতে, এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় রীতিমতো ধাক্কা খেয়েছে ট্রাম্পের বিশ্বাসযোগ্যতা। নিজের রিপাবলিকান দলের মধ্যেও প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।

[আরও পড়ুন: পিছিয়ে গেল আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া]

Advertisement
Next