জরুরি অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ, কঙ্গোয় সেনার বিমানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, মৃত শীর্ষ আধিকারিক-সহ ১৪
Amit Kumar Das
কঙ্গোয় সেনার বিমানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। শুক্রবার এই দুর্ঘটনায় শীর্ষ ২ সেনা আধিকারিক-সহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা যাচ্ছে, দুর্ঘটনার আগে বিমানটি জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেছিল। তবে সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পাহাড়ের উপরে আছড়ে পড়তেই ভয়ংকর বিস্ফোরণের সঙ্গে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে বিমান।
স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানা যাচ্ছে, বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিম কঙ্গোর কিকউইট শহর থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বিমানটি। তবে আকাশে ওড়ার কিছুক্ষণ পরই বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা যায়। পাইলট নিয়ন্ত্রণ হারালেও পাহাড়ের উপর সমতল এলাকা দেখে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেন। তবে তাতে কোনও লাভ হয়নি। কেঙ্গে এলাকার কাছে আছড়ে পড়ে সেটি। ব্যাপক বিস্ফোরণের সঙ্গে আগুন ধরে যায় বিমানটিতে।
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, দুর্ঘটনার আগে বিমানটি জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেছিল। তবে সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পাহাড়ের উপরে আছড়ে পড়তেই ভয়ংকর বিস্ফোরণের সঙ্গে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে বিমান।
কঙ্গোর সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফমি আকেঙ্গে বিবৃতি জারি করে এই দুর্ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছেন। মৃতদের তালিকায় ২ জন দীর্ঘ আধিকারিক ছিলেন বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তাঁরা হলেন, সামরিক আদালতের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুতোম্বো কাতালাই তিয়েন্দে এবং সশস্ত্র বাহিনীর অডিটর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাকুমি লিকুলিয়া। তাঁদের সঙ্গেই মৃত্যু হয়েছে বিমানের পাইলট, ক্রু-সহ মোট ১৪ জনের। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে যুদ্ধ বিধ্বস্ত কঙ্গো। গত বছর থেকে কঙ্গোর সেনাবাহিনী পূর্বাঞ্চলে রুয়ান্ডা-সমর্থিত এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী-সহ বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী দলের সঙ্গে ব্যাপক যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। বিদ্রোহীরা কঙ্গোর বেশ কয়েকটি প্রধান শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সবমিলিয়ে সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে উঠেছে।