সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আনন্দধারা বহিছে ভুবনে...! নীল-সাদা আকাশ। মিঠে রোদ। টলমল করা জলে গাছের ঝকঝকে ছায়া। পূর্ণিমার রাতে বালিতে চিকচিক করা জোৎস্নায় শুভ্র কাশফুলের মাথা দোলানো। ভোররাতে শিউলির গন্ধ। এই সব দৃশ্য মাথার ভিতরে বার্তা পাঠায়- মা আসছেন।
বিদেশে কি শরৎ আসে? ইউরোপে কি কাশফুল দোলে? টেমসের তীরে ছায়া পড়ে গাছের? হয়তো পড়ে। তবে এগুলো হোক বা না হোক প্রতিবার দুর্গা আসে 'আড্ডা'র প্রাঙ্গনে । বিশ্বে যেখানেই বাঙালির পা পড়েছে, প্রায় সব জায়গাতেই আমরা দেখি দেবীর আরাধনা হতে। ইউরোপজুড়ে যত পুজো হয় তার মধ্যে অন্যতম 'আড্ডা'র দুর্গার আরাধনা। 'চায়ে চুমুক, আড্ডা জমুক', এই স্লোগান নিয়েই তাঁদের পুজোর শুরু। দেশ থেকে দূরে নিজের শহরের ম্যাডক্স স্কোয়ারের মতো স্থান বানাতে চেয়েছিলেন তাঁরা। সেই ভাবনাতেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে 'আড্ডা'র পুজো।
এই নিয়ে সপ্তমবার পুজো করছে 'আড্ডা'। বিলেতের মাটিতে প্রথম প্যান্ডেল বানিয়ে পুজো করবেন তাঁরা। তবে পঞ্জিকা অনুসারে না। ২৫-২৮ সেপ্টেম্বরে মায়ের আরাধনায় মাতবেন সকলে। পুজো হবে স্লাউ ক্রিকেট ক্লাবে।
মণ্ডপ সাজিয়ে তোলা হবে রঙ্গোলি আলপনার সৌন্দর্যে। চন্দননগরের আলোয় ভরে উঠবে প্রতিটি কোনা। খাবারে মিশে যাবে দুই বাংলা। পাতে পড়বে কলকাতার বিরিয়ানি, ঢাকার কাচ্চি বিরিয়ানি, পোড়াবাড়ির চমচম, ইলিশ, রোল কাটলেট এবং সকালে কচুরি আলুর দম। পুজোয় আকর্ষণ থাকছে বাংলার আবহমান চায়ের আড্ডার স্থল। বিজয়া সম্মেলনে বাংলার গন্ধ নিয়ে আড্ডার জলসায় উপস্থিত থাকবেন গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তী।
