মৃত্যু ল্যাব কর্মীর, কোয়ারেন্টাইনে ২০০! প্লেগ আতঙ্কে কাঁপছে রাশিয়া
Subhodeep Mullick
রাশিয়ায় প্লেগের (Plague in Russia) থাবা। মৃত্যু এক তরুণী ল্যাব কর্মীর। এরপরই আতঙ্ক ছডিয়েছে। ওই কর্মীর সংস্পর্শে আসা প্রায় ২০০ জন চিকিৎসককে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে খবর।
রুশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃতার নাম দারিয়া শিপিলোভা (২৮)। তিনি সাইবেরিয়ার ইরকুতস্ক অ্যান্টি-প্লেগ ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান ছিলেন। সম্প্রতি নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে তিনি নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। গত বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু হয়। ইরকুতস্ক কর্তৃপক্ষের তরফে শিপিলোভার মৃত্যুকে 'অত্যন্ত বিপজ্জনক সংক্রমণ' বলে অভিহিত করা হয়। তবে সূত্রের খবর, ‘নিউমোনিক প্লেগ’-এ আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। রুশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর সময় ভুলবশত প্লেগ ব্যাকটেরিয়া থাকা একটি টেস্টটিউব ভেঙে যায়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন শিপিলোভা। যদিও প্লেগে আক্রান্ত হয়েই তরুণী ল্যাব কর্মীর মৃত্যু হয়েছে কি না, তা সরকারিভাবে এখনও জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-এর মতে, 'ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস' নামক ব্যাকটেরিয়া প্লেগের জন্য দায়ী। এটি এক ধরনের জুনোটিক (প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ানো) ব্যাকটেরিয়া, যা সাধারণত ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং তাদের গায়ে থাকা মাছির মধ্যে পাওয়া যায়। 'ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস'-এ সংক্রমিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাধারণত এক থেকে সাত দিনের সুপ্তাবস্থার পর রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। প্লেগের বিভিন্ন ধরনের মধ্যে 'বুবোনিক প্লেগ' হল সবচেয়ে পরিচিত রূপ।