আগ্রাসী ‘ড্রাগন’, তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা বলয়ে অনুপ্রবেশ ২৯টি চিনা যুদ্ধবিমানের

02:49 PM Jun 22, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের আগ্রাসী ‘ড্রাগন’। এবার তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা বলয়ে প্রবেশ করল ২৯টি যুদ্ধবিমান। পালটা বেশ কয়েকটি ফাইটার জেট পাঠিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটির সেনাবাহিনী। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, গত রবিবার একটি অত্যাধুনিক মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে লালফৌজ। তারপর ফের তাইওয়ানর কাছে পেশীশক্তির প্রদর্শনে তুঙ্গে জল্পনা।

Advertisement

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782001027-0'); });

[আরও পড়ুন: ফের বাইডেন প্রশাসনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত, বিজ্ঞান উপদেষ্টার পদে মনোনীত আরতী প্রভাকর]

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার তাইওয়ানের ‘এয়ার ডিফেন্স জোনে’ ঢুকে পড়ে চিনের ২৯টি যুদ্ধবিমান। এরমধ্যে ছিল ১৭টি ফাইটার জেট, ছ’টি এইচ-৬ বোমারু বিমান, একটি ইলেক্ট্রোনিক ওয়ারফেয়ার, একটি সাবমেরিন ধ্বংসী ও একটি ট্যাঙ্কার বিমান। পালটা নিজেদের যুদ্ধবিমান পাঠায় তাইওয়ান। একইসঙ্গে মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমগুলির উদ্দেশেও হাই অ্যালার্ট জারি করা হয় বলে জানিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে চিনের এহেন আগ্রাসন কি ভবিষ্যতে হামলার ইঙ্গিত? উঠছে এমন প্রশ্নই।

গত ১ জুন তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়েছিল ৩০টি চিনা যুদ্ধবিমানের। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তাইওয়ানের (Taiwan) আকাশ সুরক্ষা বলয়ে এমনই ৩৯টি যুদ্ধবিমান নিয়ে হানা দিয়েছিল চিনের ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’। আড়েবহরে তার পরেই রয়েছে গতকালের বিমানবাহিনী। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, চিনা গতিবিধির উপরে নজর রাখতে ইতিমধ্যে তাঁদের বায়ুসেনা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertising
Advertising

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782050143-0'); });

বিশ্লেষকদের মতে, তাইওয়ানের সামরিক ঘাঁটি ও সরঞ্জাম চিনের নিশানায় রয়েছে। দেশটির উপর চাপ তৈরি করতে ও হামলার পরিকল্পনা খতিয়ে দেখতেই এহেন অনুপ্রবেশ করছে চিনা যুদ্ধবিমানগুলি। এদিকে, তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, চিনা বিমানের গতিবিধি রাডারে ধরা পড়তেই সমস্ত মিসাইল সিস্টেম সক্রিয় করে দেওয়া হয়। দ্রুত পাঠানো হয় যুদ্ধবিমানও।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই একটি চাঞ্চল্যকর অডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দাবি করা হয়, গায়ের জোরে তাইওয়ান দখলের পরিকল্পনা করছে চিন (China)। অডিওয় এনিয়ে রীতিমতো আলোচনা করতে শোনা গিয়েছে চিনা কমিউনিষ্ট শাসক ও সেনা আধিকারিকদের একাংশকে। জাপানে অনুষ্ঠিত কোয়াড বৈঠকের আবহে এক চ্যানেলে ফাঁস হওয়া ওই অডিওকে ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিশ্লেষকদের ধারণা, ওই অডিও ক্লিপটি বিশ্বাসযোগ্য। তাইওয়ান দখল নিয়ে আলোচনাটি রেকর্ড করেছে চিনা ফৌজ। সেখান থেকেই কোনওভাবে তা লিক হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ফের বাইডেন প্রশাসনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত, বিজ্ঞান উপদেষ্টার পদে মনোনীত আরতী প্রভাকর]

Advertisement
Next