Advertisement

তালিবানের অন্দরে ক্ষমতা দখলের লড়াই, বরাদরকে ঘুসি হাক্কানির, প্রাসাদে গুলিবৃষ্টি

12:57 PM Sep 19, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তালিবানের (Taliban Terror) অন্তর্দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। কারা মন্ত্রিত্ব পাবে, কবে শপথগ্রহণ হবে, তা চূড়ান্ত করতে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই কাবুলে (Kabul) প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে বৈঠকে বসেছিল এই জঙ্গিগোষ্ঠীর নেতারা। নাম চূড়ান্ত হওয়া তো দূরে থাক, বৈঠকে রীতিমতো গুলিবৃষ্টি হয়। হাতাহাতি বেঁধে যায় নেতাদের মধ্যে। এমনকী, মোল্লা বরাদরের মতো নেতাকেও হেনস্থা করে হাক্কানি নেটওয়ার্কের (Haqqani Network) শীর্ষনেতারা। এমনই এক রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। আর তাতেই তালিবানের অন্দরের ক্ষমতার লড়াইয়ের ছবিটা আরও স্পষ্ট হয়ে গেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

ফাইল ছবি।

তালিবান আফগানিস্তানে (Afghanistan) ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সরকারের সম্ভাব্য প্রধান হিসাবে নাম উঠে এসেছিল মোল্লা আবদুল গনি বরাদরের (Taliban leader Mullah Baradar)। তিনিই এই জঙ্গি সংগঠনের পরিচিত মুখ। নরমপন্থী এই নেতাই আমেরিকার সঙ্গে শান্তিচুক্তি চালিয়েছিল। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরেই তালিবানের অন্য অংশ, বিশেষত হাক্কানি নেটওয়ার্কের সঙ্গে তার দ্বন্দ্বের কথা সামনে আসছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বরাদরের নাম নয়া আফগান সরকারের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: দিল্লিতে ধরা পড়েছিল কাবুলে আত্মঘাতী হামলাকারী! চাঞ্চল্যকর দাবি ইসলামিক স্টেটের]

ফাইল ছবি।

সেপ্টেম্বরের শুরুতে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আলোচনার সময় বরাদরকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্কের এক নেতা। ওই সংগঠনের প্রধান তথা তালিবান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজউদ্দিনের কাকা খলিল হাক্কানিই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। সূত্রের খবর, তালিবান গোষ্ঠীর বাইরে অন্য নেতা, বিভিন্ন উপজাতি নেতৃত্ব, প্রাক্তন প্রেসিডেন্টদের মন্ত্রিসভায় শামিল করতে চাইছিল বরাদর। যাতে তা গোটা বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। আর তা নিয়েই শুরু হয় বিতণ্ডা।

[আরও পড়ুন: পেলেই মেরে ফেলবে তালিবান! আতঙ্কে আত্মগোপন করে রয়েছেন আফগানিস্তানের রূপান্তরকামীরা]

ফাইল ছবি।

কাবুলের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে বৈঠকের মাঝপথেই চেয়ার ছেড়ে উঠে বরাদরকে ঘুসি মারতে শুরু করে খলিল উর রহমান হাক্কানি। আসরে নামে উভয় নেতার দেহরক্ষীরা। পরস্পরকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে কয়েকজন নিহত হয়। তবে ঘটনায় বরাদরের মৃত্যুর খবর রটলেও সে বেঁচে আছে বলে দাবি করেছে। তবে আপাতত কোণঠাসা বরাদর কান্দাহারে রয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তালিবানের সর্বোচ্চ নেতা হৈবাতুল্লা আখুন্দজাদার সঙ্গে কথা বলে এর বিহিত করতে চায় সে। ৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী মন্ত্রিসভা ঘোষণা করে তালিবান। তাতে গোষ্ঠীর বাইরে কারও জায়গা হয়নি। শুধু তাই নয়, হাক্কানি নেটওয়ার্কের শীর্ষনেতৃত্ব মন্ত্রিসভায় চারটি জায়গা পেয়েছে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ বিশ্বের বহু দেশই।

Advertisement
Next