দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল
Flydubai Attack

৯/১১ থেকে 'শিক্ষা' নিয়ে উড়ানের নিয়ম বদল, সেই পরিবর্তনকে হাতিয়ার করেই জঙ্গি হামলা! প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি

ব্যক্তিগত আক্রোশ নয়, উদ্দেশ্য ছিল জঙ্গি হামলা। ফ্লাইদুবাই ঘটনা নিয়ে বিস্ফোরক সরকারি বিবৃতি প্রকাশ্যে এল। সাফ বলা হয়েছে, বিমানে থাকা অস্ত্র দিয়ে ভারতীয় পাইলটকে আক্রমণ করা হয়েছে।
Anwesha Adhikary
02:58 PM Oct 03, 2026 IST
ব্যক্তিগত আক্রোশ নয়, উদ্দেশ্য ছিল জঙ্গি হামলা। ফ্লাইদুবাই ঘটনা নিয়ে বিস্ফোরক সরকারি বিবৃতি প্রকাশ্যে এল। সাফ বলা হয়েছে, বিমানে থাকা অস্ত্র দিয়ে ভারতীয় পাইলটকে আক্রমণ করা হয়েছে।
ফাইল ছবি।

ব্যক্তিগত আক্রোশ নয়, উদ্দেশ্য ছিল জঙ্গি হামলা। ফ্লাইদুবাই ঘটনা (Flydubai Attack) নিয়ে বিস্ফোরক সরকারি বিবৃতি প্রকাশ্যে এল। শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তরফে গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলা হয়। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, অভিযুক্ত পাইলট হামাম আল-হামামির উদ্দেশ্য ছিল সন্ত্রাসবাদী হামলা। বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল, ৯/১১য়ের পর বিমানে 'অস্ত্র' রাখার নিয়মে বড়সড় রদবদল করা হয়। সেই বদলের সুযোগ নিয়েই ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর আক্রমণ করতে পেরেছিল হামাম।

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি মাঝ আকাশে বিরাট বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে গত বুধবার। বিমানটিকে সৌদি আরবের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিল হামাম। সেটা আঁচ করতে পেরে আটকাতে যান স্মিত, সেসময়েই ককপিটে থাকা কুঠার দিয়ে হামাম তাঁকে কোপ দেয়। শেষ পর্যন্ত স্মিতের সাহসিকতা এবং বিমানের অন্যান্যদের সাহায্যে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে। কিন্তু প্রথম থেকে গোটা ঘটনাক্রম নিয়ে অনেক প্রশ্ন ছিল। কেউ কেউ মনে করছিলেন, দুই পাইলটের ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই ককপিটে রক্তারক্তি হয়েছে।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

কিন্তু ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথম থেকেই এই ঘটনার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত করেছেন। সেই দাবিতেই সিলমোহর দিয়ে শনিবার সরকারি বিবৃতি দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। সেদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বিমানে যা ঘটেছে তা সন্ত্রাসবাদী হামলা। ককপিটে থাকা অস্ত্র দিয়েই কোপ মারা হয়েছে ভারতীয় পাইলটকে। জঙ্গি আক্রমণের মুখে দাঁড়িয়ে ভারতীয় পাইলট যেভাবে সাহসের পরিচয় দিয়েছেন সেটাকে কুর্নিশ জানানো দরকার।

অনেকের মনেই প্রশ্ন, বিমানে কুঠারের মতো বিপজ্জনক অস্ত্র এল কী করে? বিমান চলাচলের আন্তর্জাতিক বিধি অনুযায়ী, বিমান তৈরির সময়ই উড়ানে একটি ‘ক্র্যাশ এক্স’ স্থাপন করা হয়। প্রতিটি বাণিজ্যিক বিমানে এটির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। বিমান ক্র্যাশের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে এই কুঠার ব্যবহার করা যায়। তবে আগে এই কুঠার রাখা হত বিমানের মূল কেবিনে। ৯/১১ হামলার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কুঠার ককপিটে রাখা হবে যেন বাইরের কারোর হাতে ধারালো অস্ত্রটি না যায়। কিন্তু ককপিটে কুঠার থাকার কারণেই এবার জঙ্গি হামলা চালানোটা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছিল ওমানি পাইলটের পক্ষে।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
DubaiIsrael
Advertisement
Tags :
DubaiIsrael

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন