বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা- ইংল্যান্ড। খালের পাশে বসে সেই খেলাতেই মগ্ন ছিলেন বাংলাদেশের যুবক আহাদ নূর। কিন্তু আচমকাই অসাবধানতাবশত খালের মধ্যে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। আহাদের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে শোকে মুহ্যমান এলাকা।
জানা গিয়েছে, ঘটনা নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার। ম্যাচের রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। দিনদুয়েক পরে শুক্রবার সকালে সাপমরা খাল থেকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়। মোহনগঞ্জ থানার ওসি মহম্মদ হাফিজুল ইসলাম হারুন জানাচ্ছেন, আহাদ মাইজহাটি গ্রামের কাঁচা মিয়ার ছেলে। কয়েক দিন আগে তিনি তার কাকা কালা মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে মোহনগঞ্জে গিয়েছিলেন। আর সেখানকার সাপমরা খালের পাড়ে বসেই মোবাইলে দেখছিলেন বিশ্বকাপের খেলা। মনে করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত জলে পড়ে যান তিনি। কিন্তু সাঁতার না জানায় আর কূলে উঠতে পারেননি।
প্রসঙ্গত, নেত্রকোনায় ২৩ বছরের কলেজ পড়ুয়া দীপ্ত চৌধুরী খেলার পরে উল্লাসে মাততে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। বুধবার রাত তিনটে নাগাদ ছোটবাজার অঞ্চলের শহিদ মিনারের সামনে বহু মানুষ আর্জেন্টিনার বিজয়ে মিছিল বের করেন। তাঁদের হাতে ছিল আর্জেন্টিনার পতাকা, ফেস্টুন। সেই সময় দীপ্তও বন্ধুদের সঙ্গে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা উপভোগ করেন। মিছিল দেখে ছবি ও ভিডিও তুলতে তিনি উঠে পড়েন শহিদ মিনার মোড় এলাকায় একটি বাড়ির ছাদে। আর তখনই অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি নিচে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
