বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত। এর মধ্যেই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। বুধবার দুপুরে স্পিকারের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ হয় দু'জনের। নানা বিষয়ে কথা হয় তাঁদের। যার মধ্যে রোহিঙ্গা সমস্যার মতো ইস্যুও ছিল।
মঙ্গলবারের সাক্ষাতের পর হাফিজউদ্দিন জানিয়েছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে সম্পর্ক, তা বিভিন্ন সময়ে বদলেছে। অন্যদিকে দীনেশ ত্রিবেদী উল্লেখ করেন দুই দেশের মধ্যেকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের। পাশাপাশি তিনি হাফিজকে ভারত সফরের আমন্ত্রণও জানান। জানা গিয়েছে, রোহিঙ্গা সমস্যা এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানের বিষয়েও কথা হয় তাঁদের মধ্যে। এদিকে দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, নিয়মিত মত বিনিময় ও দুই দেশের সংসদের সদস্যদের অপর দেশে নিয়মতি সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এদিকে এদিন ঢাকায় সচিবালয়ে বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মির শাহ আলমের সঙ্গে বৈঠক করেন দীনেশ। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভালো সম্পর্ক কেবল সরকারকেন্দ্রিক নয়। এটি দুই দেশের জনগণের মধ্যেকার সম্পর্ক। এই সম্পর্কে অতীত নিয়ে আটকে থাকার কোনও সুযোগ নেই। তাহলে আমরা সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে কীভাবে এগব?”
সম্প্রতি খবর ছড়িয়েছিল, শীঘ্রই ভারত সফরে আসতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কিন্তু সেই জল্পনা উড়িয়ে দেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রকের আধিকারিক এ কে এম শহিদুল করিম। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন। সেটা হচ্ছে কিনা আমরা আপাতত সেদিকে নজর রাখছি। তাই বলতে চাই, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের কাছে যে আবেদন করেছি, সেই নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিক ভারত।”
