বারুইপুরে সক্রিয় মৌলবাদী ও দেশবিরোধী শক্তি। ভোটে যাঁরা হেরেছেন, তাঁরা উসকানি দিয়ে এই অশান্তি ঘটিয়েছেন। বারুইপুরে নির্যাতিতার বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে এই অভিযোগই তুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, অশান্তির ঘটনায় ২০০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, যে সন্দেহভাজনকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে তিনি নির্দোষ। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে এই তথ্যই সামনে এসেছে। এই খুনেরও বিচার হবে। দোষীদের কাউকে ছাড়া হবে না।
বারুইপুরে গিয়ে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজস্ব ছবি।
মঙ্গলবার বারুইপুরে আসেন মুখ্য়মন্ত্রী। সেখানে এসপি অফিসে নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। গণপিটুনিতে মৃত যুবকের পরিবারের ৩ সদস্যের সঙ্গেও দেখা করেন শুভেন্দু। নাবালিকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এলাকার সাংসদ সায়নী ঘোষ ও তৃণমূল বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয় তাঁদের। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এই অশান্তিতে রাজনৈতিক লোক পিছন দিক থেকে উসকানি দিয়েছে। তাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে। একাধিক কল রেকর্ডিং পেয়েছে পুলিশ। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দোষীদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। যাঁরা অশান্তি করেছে, রেললাইন উপড়েছে তাঁরা ছাড় পাবেন না। নির্দোষ যুবকের মৃত্যুর ঘটনাতেও দোষীদের গ্রেপ্তার করা হবে। তাঁর কথায়, "এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, তার ব্যবস্থা করব।"
বারুইপুরে এসে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন সাংসদ সায়নী ঘোষও। নিজস্ব ছবি।
বারুইপুরের ঘটনায় প্রথমে পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে ডিজিপিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্যাতিতার মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের কোনও গাফিলতি থাকলে কড়া অ্যাকশন নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়াও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্যাতিতার বাড়ির সামনে আউটপোস্ট তৈরির নির্দেশ দেন তিনি। শুভেন্দু জানান, তিনি এক সপ্তাহের মধ্যে ফের বারুইপুরে আসবেন। সরকার যা করেছে তা সকলেই দেখতে পাবে।
