সম্পত্তির লোভে সুপারি কিলার দিয়ে দাদাকে খুন, গ্রেপ্তার মৃতের ভাই

02:24 PM May 14, 2022 |
Advertisement

দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: সম্পত্তির লোভে সুপারি কিলার দিয়ে দাদাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছোট ভাই। সুপারি কিলারকেও পাকড়াও করেছে পুলিশ। হুগলির শ্রীরামপুরের ভট্টাচার্য বাগানের ঘটনায় জোর চাঞ্চল্য। শনিবার ধৃতদের শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হবে।

Advertisement

নিহত বছর ষাটের গৌতম দাস, শ্রীরামপুরের ভট্টাচার্য বাগানের বাসিন্দা। তাঁর তিন ভাই এবং এক বোন রয়েছে। রাজ্যধরপুরে গৌতম দাসের পৈতৃক প্রায় আট কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। ওই সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে ভাইবোনদের মধ্যে সামান্য মনোমালিন্য ছিল। এই পরিস্থিতিতে আচমকাই ভট্টাচার্য বাগান ও রাজ্যধরপুর পঞ্চায়েতের সীমান্ত এলাকায় দাসপুকুর থেকে গৌতম দাসের দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর ভাই উৎপল দাস শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1630720090-3');});

[আরও পড়ুন: কাশীপুর কাণ্ড: জুয়ায় টাকা খুইয়েই অবসাদ, অর্জুনের ঝুলন্ত দেহের পকেটে ছিল মাত্র ৫০০ টাকা]

তদন্তে নেমে পুলিশ নিহতের ভাইবোনদের সঙ্গে কথা বলেন। নিহত গৌতমের ভাই উজ্জ্বল দাসের বয়ানে অসংগতি পান তদন্তকারীরা। পুলিশ তাকে জেরা করে জানতে পারে, সুপারি কিলার দিয়ে দাদাকে খুন করিয়েছে সে। কৃষ্ণ সরকার নামে ওই সুপারি কিলারের সঙ্গে মাত্র ২৫ হাজার টাকায় চুক্তি হয় উজ্জ্বলের। খুনের আগে সুপারি কিলারকে ৫ হাজার টাকা দেয় উজ্জ্বল। বাকি ২০ হাজার টাকা খুনের পর দেবে বলে জানায় সে। তবে বকেয়া টাকা পাওয়ার আগেই পুলিশ উজ্জ্বল ও সুপারি কিলার কৃষ্ণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

Advertising
Advertising

পুলিশের দাবি, খুনের কথা স্বীকার করে নেয় দু’জনে। কীভাবে খুন করা হয়েছিল গৌতমকে, তা জানায় সুপারি কিলার কৃষ্ণ। সে জানায়, দাসপুকুর এলাকায় প্রথমে বেধড়ক মারধর করা হয় গৌতমকে। এরপর গলা টিপে খুন করা হয় তাঁকে। দেহ ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয় পুকুরে। স্থানীয়রা তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। এই ঘটনায় ধৃত দু’জনকে শনিবার শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হয়।

[আরও পড়ুন: প্রতারণার পর্দাফাঁস, কলকাতায় তিনটি ভুয়ো কল সেন্টার থেকে সিআইডি’র জালে ২০ জন]

Advertisement
Next