আগামী ডিসেম্বর মাসেই রাজ্যে পুরভোট। সেই বার্তা দিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। রাজ্যে উন্নয়ন হবে, বহু জায়গায় কাজ থমকে গিয়েছিল। বহু পুরসভায় প্রশাসক বসিয়ে কাজ চলছে। বাঁকুড়া থেকে সেই বার্তা এদিন দিয়েছেন মন্ত্রী। এদিন বাঁকুড়ায় প্রশাসনিক সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী। রাজ্যে পালাবদলের পরে একাধিক পুরসভা ভেঙে গিয়েছে। বহু জায়গায় প্রশাসক বসানো হয়েছে সরকারের তরফে। ডিসেম্বর নাগাদ রাজ্যে পুরভোট হতে পারে। সেই সম্ভাবনার কথা রাজ্য-রাজনীতিতে ছড়িয়েছিল। এদিন সেই বিষয়কেই উসকে দিলেন মন্ত্রী। তাহলে কি পুজোর পর থেকেই পুরভোটের দামামা বাজবে?
আগামী ডিসেম্বরেই রাজ্যে পুরসভা নির্বাচন হতে পারে বলে মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় এসে জানালেন তিনি। বাঁকুড়া জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দপ্তরে বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন পুরমন্ত্রী। অডিটোরিয়ামে ঢোকার মুখেই প্রশাসকের হাতে থাকা পুরসভাগুলির নাগরিক সমস্যার কথা তাঁর কাছে তুলে ধরেন স্থানীয়রা। সেই সমস্যার কথা মন দিয়ে শোনেন মন্ত্রী। পরে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জানান, নাগরিক পরিষেবা দেওয়াই অন্যতম উদ্দেশ্য। উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য।
অগ্নিমিত্রা বলেন, "প্রতিটি দপ্তরই বসে আসে। কোন দপ্তরে শেষ ১৫ বছর কাজ হয়েছে? বা তার আগের ৩৪ বছর কোথায় কাজ হয়েছে? প্রত্যেকটা দপ্তরকেই হাতে ধরে তৈরি করতে হবে।" ডিসেম্বরেই পুরভোট করার কথা ভাবা হচ্ছে। সেই কথাও এদিন জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। পুরসভাগুলিতে প্রশাসক বসিয়ে পরিষেবা দেওয়ার কাজ হচ্ছে। সেই কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী। কোনও মানুষের যাতে পরিষেবা পেতে সমস্যা না হয়, সেসব নিজে লক্ষ্য রাখছেন। সেই কথাও জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী।
রাজ্যে পালাবদলের পর বাঁকুড়া জেলার তিনটি পুরসভায় পুরপ্রধান পদত্যাগ করেছেন। ফলে নির্বাচিত পুরবোর্ডের পরিবর্তে ওই পুরসভাগুলির প্রশাসনিক দায়িত্ব এখন প্রশাসকের হাতে। পুরপ্রধানহীন ওই পুরসভাগুলির রাস্তা, নিকাশি, পানীয় জল, আবর্জনা সাফাই-সহ নানা নাগরিক সমস্যা নিয়ে এ দিন পুরমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানো হয়। সমস্যাগুলি শুনে দ্রুত নির্বাচিত পুরবোর্ড গঠনের ইঙ্গিতই কার্যত দিয়েছেন তিনি।
