shono
Advertisement

Breaking News

Anubrata Mondal

'সব দোষ মমতার, বছরে যা রেভিনিউ তুলেছ...', কেন ফুঁসছেন দিদির 'প্রিয়' কেষ্ট?

দলের পতনের জন্য 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী' বলে আঙ্গুল তুললেন বীরভূমের কেষ্ট৷ তাঁর পরামর্শ, যদি 'বুদ্ধিমতী হন' তাহলে সবাইকে নিয়ে চলবেন মমতা৷
Published By: Arpita MondalPosted: 07:07 PM Jul 16, 2026Updated: 07:35 PM Jul 16, 2026

ক্ষোভ যেন লাগামহীন। ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়েও অনুব্রতর নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের ভরাডুবির জন্য আরও একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দুষলেন অনুব্রত মণ্ডল। বুধবার বলেছিলেন, উনি কানে দেখেন, চোখে দেখেন না। আর বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিনে রথের দড়িতে টান দিয়েই বোলপুরে নিচুপট্টির বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেগে ঘুমলে কী আর সাড়া পাওয়া যায়। এক প্রকার তৃণমূল-কংগ্রেসের ভরাডুবি নিয়ে ক্ষোভ যেন প্রশমণ হচ্ছেই না অনুব্রতর।

Advertisement

দলের পতনের জন্য 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী' বলে আঙ্গুল তুললেন বীরভূমের কেষ্ট৷ পাশাপাশি, কেষ্টর পরামর্শ যদি 'বুদ্ধিমতী হন' তাহলে সবাইকে নিয়ে চলবেন মমতা৷ ২১ জুলাইয়ের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলে ভালো করবে। কেউ আসতে মানা করবে না। তাঁর বক্তব্য, "সকলে মিলেই খুবই কষ্ট করে দল করেছিলাম। সিপিএমকে তাড়িয়েছিলাম।" তবে সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে নাম লিখিয়েছেন বীরভূমের অনুব্রত। জেলার সভাপতির পদ ফিরে পাওয়ার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা তুলে ধরে নিশানা শানিয়েছেন কেষ্ট৷

ফের একবার আইপ্যাককে দুষে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল আরও বলেন, "দলটাকে অনেক কষ্ট করে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিলাম। কলকাতার প্রতিটি মিটিংয়ে লক্ষ লক্ষ লোক নিয়ে যেতাম৷ আমরা পুরনো কর্মীরা সব ইতিহাস জানি। এই দলটা কি করে চলে গেল? আমি অন্য কাউকে নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করবো। কীসের আইপ্যাক। আইপ্যাক কী করবে৷ কী জানে ওরা? গ্রামের মানুষের ভাষা বোঝে! আইপ্যাকের দ্বারা কি কোনও সংগঠন হয়?" তিনি বলেন, "এক সময় একুশে জুলাই ব্রিগেড হত। আমরা হাজার হাজার লোক নিয়ে যেতাম। এক পয়সা কলকাতা দিত না। ভোরবেলা থেকে মুড়ি খেয়ে কর্মীরা যেত, আর সামনের সারিতে বসে থাকতো যত সিনেমা ও সিরিয়ালের আর্টিস্টরা৷ কেন ওরা সামনে বসবে? ওরা দলের কr করে। বিনা পয়সায় কোনও অনুষ্ঠান পর্যন্ত করে না। তবে পুরোনো শতাব্দী, সায়নী, কাকলি ঠিক আছে। দলের জন্য কাজ করে৷ যেখানে পাঠায় দল, সেখানে যায়৷ তবে এবার একুশে জুলাই ভালো লোক হবে।"

বীরভূমে পাথরের ডিসিআর প্রসঙ্গে তিনি বলেন," ২০২১-এ জেলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত প্রতিদিন প্রায় বর্ষাকাল বাদ দিয়ে সাড়ে তিন কোটি রাজস্ব জমা পড়েছে। আর আমি ফিরে আসার পর জমা পড়ত প্রতিদিন ৪০ লাখ টাকা। কেন রাজস্বে এত ক্ষতি হল। আমি বারংবার বলেছি বীরভূম থেকে যে রাজস্ব উঠছে। সেটা বীরভূমে উন্নয়নের কাজে খরচ হোক। এটা শুধু পাথরের রাজস্ব, এছাড়াও বালি-পাথরের রাজস্ব আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কানে দেখে, চোখে শুনে এসেছেন বলেই এমন পরিণতি।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement