shono
Advertisement
Anubrata Mondal

মমতা নাকি ঋতব্রত, কোন তৃণমূলে? জবাবে ধন্দ বাড়ালেন অনুব্রত

ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতিতে ঠাঁই পেয়েছেন বীরভূমের ৪ নেতা। তাতেই কেষ্টকে নিয়ে জল্পনা উসকে উঠেছে।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 12:47 PM Jun 24, 2026Updated: 02:16 PM Jun 24, 2026

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট নাকি ঋতব্রতপন্থী 'আসল' তৃণমূল - কোনদিকে বীরভূমের একদা দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)? এই প্রশ্নের জবাবে ধোঁয়াশা রাখলেন তিনি নিজেই। অনুব্রতর কথায়, ‘‘আমি নতুন-পুরনো, পক্ষ-বিপক্ষ বুঝি না। আমি এখনও তৃণমূলেই আছি।" তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষেই কিনা, তা স্পষ্ট করেননি। বীরভূমের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি বলেন, ‘‘সিপিএমকে খেদিয়ে তৃণমূলকে এনেছি। জন্মলগ্ন থেকেই সংগঠনে আছি। আমি এখনও পর্যন্ত তৃণমূল।"

Advertisement

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী তৃণমূলের তৈরি নতুন জাতীয় কর্মসমিতিতে ঠাঁই পেয়েছেন বীরভূম জেলার দুই বিধায়ক এবং দুই প্রাক্তন বিধায়ক। বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহা ও হাসনের বিধায়ক কাজল শেখ এবং লাভপুর ও রামপুরহাট থেকে তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থী অভিজিৎ সিনহা ও আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় স্থান পেয়েছেন ওই কমিটিতে। জেলার আরও তিন নির্বাচিত বিধায়ক, সিউড়ির প্রাক্তন বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী, একাধিক পুরসভার পুরপ্রধান ও কাউন্সিলররাও সোমবার নিউটাউনের পাঁচতারা হোটেলে নব্য তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে হাজির ছিলেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের প্রতিটি জেলায় জেলা কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর এখন বীরভূমে তৃণমূলের কোনও পদাধিকারী নেই। এই অবস্থায় নব্য তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটির এই সদস্যরাই জেলার নতুন কমিটি তৈরি করবেন বলে জানান এক সদস্য। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের দলের সমর্থকদের একটা বড় অংশ গ্রামীণ কৃষিজীবী ও শ্রমিক সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁদের কাছে দলের প্রতীকটাই গুরুত্বপূর্ণ, কে কোন পদে থাকল সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।" আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর আমাদের দলের উচ্চ নেতৃত্ব কোনও যোগাযোগ রাখেনি। একের পর এক নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হলেও তাদের কোনওরকম সহযোগিতা করা হয়নি। ফলে তাদের মধ্যে একটা উষ্মা তো আছেই। ঠিক যেমন কোর কমিটির আচরণে আমাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল বলেই আমরা সেখান থেকে পদত্যাগ করেছিলাম। ফলে এই বিষয়গুলিকে নজর দেওয়াই আমাদের প্রথম কাজ।"

ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়া অপর এক নেতাও দাবি করেন, ‘‘কয়েকমাসে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। আমাদের এই দলে গঠনতন্ত্র মেনে সমষ্টিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দলের ভবিষ্যৎ কী হবে, দলের রাজনৈতিক ভাবনা কী হবে, তাও নেতারা আলোচনা করে সাধারণ সমর্থকদের মতামত নিয়েই ঠিক করবেন।" যদিও বিজেপির বীরভূম সংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি বাবন দাস বলেন, ‘‘ওদের বিষয় নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। ওদের প্রতীকেও লোক নেই, ব্যক্তিতেও লোক নেই। ওদের নিয়ে আমরা ভাবছি মা। মানুষ আমাদের বিপুল সমর্থক দিয়ে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা পূরণ করাই আমাদের লক্ষ্য।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement