shono
Advertisement
Koustav Bagchi

সরু রাস্তা দখল করে তৈরি হচ্ছিল পাঁচতলা বাড়ি! দেখেই কাজ বন্ধ করালেন বিধায়ক কৌস্তভ

বেআইনি নির্মাণের নেপথ্যে তৃণমূল কাউন্সিলরকে দুষলেন বারাকপুরের বিধায়ক।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 08:33 PM Sep 04, 2026Updated: 08:33 PM Sep 04, 2026

রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা নিয়ে চলতি মাসের পয়লা তারিখ থেকে নতুন নিয়ম চালু হয়েছে রাজ্যে। বেআইনিভাবে রাস্তা দখল থেকে শুরু করে থুতু ফেলা, মলমূত্র ত্যাগ নিয়ে অপরিচ্ছন্ন করলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য প্রশাসন থেকে জনপ্রতিনিধি, নজরদারি চলছে। আর তাতেই নিয়ম বহির্ভূতভাবে নির্মাণকাজ রুখে দিলেন বারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। সঙ্গে সঙ্গে কাজ বন্ধ করে, বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশ দিলেন তিনি। কৌস্তভের এই 'অ্যাকশন' দেখে খুশি এলাকাবাসী। বলছেন, তৃণমূল জমানার অরাজকতা এবার শেষ হতে চলেছে।

Advertisement

সংকীর্ণ গলির রাস্তার অংশ দখল করে চলছিল পাঁচতলা নির্মাণ। শুক্রবার পুর আধিকারিক ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেন বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। পুরসভার ১৬ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে নির্মাণ ও জমি সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখেন তিনি। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ওই নির্মাণ নিয়ে কৌস্তভের দাবি, জায়গাটিতে বড়জোর তিনতলা তৈরির অনুমতি পাওয়ার কথা। অথচ সেখানে পাঁচতলা কাঠামো উঠেছে। নির্মাণের চারপাশে প্রয়োজনীয় ফাঁকা জায়গা রাখা হয়নি।

সংকীর্ণ গলির রাস্তার অংশ দখল করে চলছিল পাঁচতলা নির্মাণ। শুক্রবার পুর আধিকারিক ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেন বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। পুরসভার ১৬ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে নির্মাণ ও জমি সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখেন তিনি। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ওই নির্মাণ নিয়ে কৌস্তভের দাবি, জায়গাটিতে বড়জোর তিনতলা তৈরির অনুমতি পাওয়ার কথা। অথচ সেখানে পাঁচতলা কাঠামো উঠেছে। নির্মাণের চারপাশে প্রয়োজনীয় ফাঁকা জায়গা রাখা হয়নি। কাঠামোটির নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক।

বারাকপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে এই ভবনটি বেআইনিভাবে তৈরি হচ্ছিল বলে অভিযোগ, নিজস্ব ছবি

পুরসভাকে স্টপ ওয়ার্ক নোটিস জারি এবং নিয়ম মেনে ভাঙার কাজ শুরু করতে বলেন কৌস্তভ। শুক্রবার মহম্মদ আফজল খান নামে এক বাসিন্দার জমিও পরিদর্শন করেন বিধায়ক। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত জমির একাংশ দখল করে সেখানে আবর্জনা ফেলা এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। কৌস্তভের হস্তক্ষেপের পর ওই অংশে ফের সীমানা প্রাচীর দেওয়া হয়। পরিদর্শনের শেষে প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা নওশাদ আলমের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে নির্মাণে মদতের অভিযোগ তোলেন কৌস্তভ। তৎকালীন পুরবোর্ডের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের দাবি জানান তিনি। বিধায়কের বক্তব্য, নিয়মবহির্ভূত নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনও আপস করা হবে না। আইন মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement