shono
Advertisement

রূপশ্রী প্রকল্পের আবেদন করতে এসে প্রেমিকের হাত ধরে উধাও কনে! পুলিশের দ্বারস্থ পরিবার

দিনদশেক পরই অন্য এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ওই তরুণীর।
Posted: 03:28 PM Feb 10, 2024Updated: 03:28 PM Feb 10, 2024

ধীমান রায়, কাটোয়া: দিনদশেক পর ভাগ্নির বিয়ে। বিয়ের কার্ড ছাপানো হয়ে গিয়েছে। অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে সরকারি সহায়তার জন্য রূপশ্রী প্রকল্পের অনুদানের আবেদন করতে ‘পাত্রী’ অর্থাৎ ভাগ্নিকে সঙ্গে নিয়ে বিডিও অফিসে এসেছিলেন মামা। আবেদনপত্র পূরণের কাজ চলছিল। সেসময় নিজের ব্যাগ মামাকে ধরতে দিয়ে ‘নিরুদ্দেশ’ হয়ে গেলেন পাত্রী। শুক্রবার বিকেল নাগাদ পূর্ব বর্ধমানের ভাতার বিডিও অফিস চত্বর থেকে রূপশ্রী প্রকল্পের আবেদন করতে আসা পাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।

Advertisement

নিখোঁজের পরিবারের লোকজন চারিদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ভাতার থানায় আসেন নিখোঁজ তরুণীর বাবা, মামা-সহ আত্মীয়রা। তাদেরকে পাশে নিয়ে পুলিশ সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখেন। কিন্তু এখনও হদিশ করা যায়নি। কোথায় গেলেন রূপশ্রীর আবেদন করতে আসা পাত্রী? তাহলে কি ওই তরুণী আগে থেকেই কারও সঙ্গে ‘যোগাযোগ’ করে রেখেছিল? আর ভাতার বিডিও অফিসে আসার পর সুযোগ বুঝে ‘তার’ সঙ্গেই পালিয়েছে ওই পাত্রী বলে পরিবারের সন্দেহ। তবে এখনও পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে এনিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: ফের CAA অস্ত্রে শান! লোকসভার আগেই লাগু হবে নাগরিকত্ব আইন, বড় ঘোষণা শাহর]

জানা গিয়েছে, ভাতারের সাহেবগঞ্জ এলাকায় বাড়ি বছর বাইশের ওই তরুণীর। তিনি গ্র্যাজুয়েট। মামাবাড়ি বনপাশ এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি তার বিয়ের ঠিকঠাক হয়েছিল। বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য নিমন্ত্রণপত্র ছাপানো হয়ে যায়। মেয়েদের বিয়ের খরচের জন্য রাজ্য সরকার চালু করেছে রূপশ্রী প্রকল্প। ২৫ হাজার টাকা অনুদান পাওয়া যায়। তবে রূপশ্রী প্রকল্পের আবেদন করতে হলে পাত্রীর অন্যান্য নথিপত্রের সঙ্গে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের একটি প্রতিলিপি প্রমাণ হিসাবে দিতে হয়। আবেদন করার সময় আবেদনকারীকেও সশরীরে আসতে হয়। সেইমতো এদিন পাত্রীর মামা তার ভাগ্নিকে নিয়ে ভাতার বিডিও অফিসে আবেদন করতে আসেন।

মামার কথায়,” তখন আবেদনপত্র পূরণের কাজ চলছে। সেসময় আমার ভাগ্নি তার ব্যাগটা আমাকে ধরতে দিয়ে বলে, “মামা, ব্যাগটা ধরো, আমি টয়লেট থেকে ঘুরে আসি।” এই কথা বলে ব্যাগ ধরিয়ে দিয়ে সেই যে গেল তারপর আর খুঁজে পাচ্ছি না।” ভাগ্নি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর অসহায় মামা বাড়িতে ফোন করে জানান। পাত্রীর বাবাও ভাতারে চলে আসেন। তারা থানায় এসে মৌখিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানান। ভাতার থানায় সিসিটিভি ক্যামেরার কন্ট্রোলরুমে পরিবারের লোকজনদের বসিয়ে বহুক্ষণ সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু তাতেও কোনও হদিশ মেলেনি। এখন নিখোঁজের পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি চালাচ্ছেন।

[আরও পড়ুন: কেমন আছেন ‘মিঠুনদা’? হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে জানালেন সোহম]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement