এবার এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিএলওকেই শুনানির নোটিস ধরাল নির্বাচন কমিশন। নিজেকে নিজেই নোটিস দিলেন বুথ লেভেল আধিকারিক। শুধু তাই নয়, একই ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যকেও শুনানির জন্য উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে বিডিও অফিসে। এই ঘটনার পর ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন বিএলও। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের ঘটনায় অবাক এলাকাবাসী।
আবু ওবায়দা বিন জাররাহ। পেশায় শিক্ষক। স্থানীয় বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন তিনি। আবু সামশেরগঞ্জ ব্লকের অন্তর্গত চাচন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১১ নম্বর বুথের ভোটার। মঙ্গলবার সকালে তাঁর নামে নোটিস এসেছে। আবুর দাবি, ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি শিক্ষকতা করছেন। প্রথমে ডিও ও পরে বিএলও হিসাবে দায়িত্ব পান। এসআইআর প্রক্রিয়ায় তিনি বিএলও হিসাবে দায়িত্ব পান। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। ক্ষোভ উগড়ে আবু বলেন, "এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও হিসাবে দায়িত্ব দেওয়ার আগে একটি ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছি। সেখানে ২০০২ সালের তালিকার তথ্য ও ২৫ সালের ভোটার কার্ডের তথ্য জমা দিয়েছি। দুটো তালিকাতেই পরিষ্কার ভাবে আমার নাম লেখা রয়েছে। তারপরও আমাকে ডাকা হয়েছে শুনানিতে। বিডিও অফিসে হাজিরা দেব। নিজেকে নিজেই নোটিস দিলাম।"
আবু ওবায়দা আরও জানিয়েছেন, তাঁর বুথের প্রায় ৩০০ জনের নামে শুনানির নোটিস এসেছে। একই বুথের পঞ্চায়েত সদস্য ওসিকুল আলমকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেই নোটিস তিনি দিয়ে এসেছেন। আবু বলেন, "২০০২ সালে তাঁর বাবা-মায়ের নাম ছিল।"
