shono
Advertisement
Kanti Ganguly

আমফানে লাখ লাখ টাকা চুরি শওকত, জাহাঙ্গিরদের! তদন্ত চেয়ে মৎস্যমন্ত্রীকে চিঠি কান্তির

সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ৪ পাতার চিঠিতে অভিযোগ তুলেছেন, মিথ্যে তথ্য দিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকা হাতিয়েছেন তৃণমূল বিধায়করাও।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 04:18 PM Jul 30, 2026Updated: 05:13 PM Jul 30, 2026

প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে কেন্দ্রের পাঠানো আর্থিক সাহায্য নিয়েও দুর্নীতি! ২০২০ সালের আমফান নিয়ে তৃণমূল সরকারের ব্যাপক আর্থিক কারচুপি নিয়ে ক্যাগ রিপোর্ট পেশ হয়েছে বিধানসভায়। এবার সেই আমফান দুর্নীতি নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী রাজেশ মাহাতোকে চিঠি লিখলেন বর্ষীয়ান বাম নেতা তথা প্রাক্তনমন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় (Kanti Ganguly)। প্রায় চারপাতার চিঠিতে তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার 'ক্রিমিনাল' নেতা - শওকত মোল্লা, জাহাঙ্গির খানদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা চুরির অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, শওকত মোল্লা ৮০ লক্ষ টাকা চুরি করেছেন, জাহাঙ্গির খানও ফলতায় মৎস্যজীবীদের ক্ষতিগ্রস্ত নৌকার নামে মোটা অঙ্কের টাকা বেআইনিভাবে হাতিয়েছেন। এনিয়ে নতুন করে তদন্তের দাবি জানিয়ে কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই চিঠি।

Advertisement

'সংবাদ প্রতিদিন'কে কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আমফানে অন্যান্য ক্ষতির মতো মৎস্যজীবীদের নৌকা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তার জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়। বারুইপুর ও সোনারপুর ব্লকে মৎস্যজীবী বা নৌকা কিছু নেই। তা সত্ত্বেও শওকত মোল্লা-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা, বিধায়করা নৌকা কেনার নামে প্রচুর অর্থ হাতিয়েছেন। শওকত নিজেই ৮০ লক্ষ টাকা চুরিতে অভিযুক্ত। এছাড়া ফলতায় ১০ হাজার নৌকা কিনতে হবে বলে তৎকালীন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ জাহাঙ্গির খানও প্রচুর টাকা চুরি করেছেন।

২০২০ সালে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আমফানে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল সুন্দরবন ও উপকূলবর্তী এলাকা। পরবর্তীতে সুন্দরবন পুনর্গঠনে রাজ্য ও কেন্দ্র আর্থিক সাহায্য করে। আর সেই অনুদান নিয়ে যে সরকারি স্তরে প্রচুর দুর্নীতি হয়েছে, সেই অভিযোগ উঠেছিল আগেই। যার জন্য সম্প্রতি বিধানসভায় ক্যাগ রিপোর্ট পেশ করে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। এবার তা নিয়ে সরব হলেন প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী তথা রায়দিঘির প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় (Kanti Ganguly)। তিনি বরাবর সুন্দরবন এলাকার কাজকর্মের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি নিয়ে দীর্ঘ চারপাতার চিঠি লিখে নতুন করে তদন্তের দাবি তুললেন।

'সংবাদ প্রতিদিন'কে কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আমফানে অন্যান্য ক্ষতির মতো মৎস্যজীবীদের নৌকা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তার জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়। বারুইপুর ও সোনারপুর ব্লকে মৎস্যজীবী বা নৌকা কিছু নেই। তা সত্ত্বেও শওকত মোল্লা-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা, বিধায়করা নৌকা কেনার নামে প্রচুর অর্থ হাতিয়েছেন। শওকত নিজেই ৮০ লক্ষ টাকা চুরিতে অভিযুক্ত। এছাড়া ফলতায় কিছু নৌকা থাকলেও তার চেয়ে ঢের বেশি, ১০ হাজার নৌকা কিনতে হবে বলে তৎকালীন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ জাহাঙ্গির খানও প্রচুর টাকা চুরি করেছেন। কান্তিবাবুর দাবি, এদের বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত করে গুন্ডাদমন আইন প্রয়োগ করা হোক। তাঁর আরও অভিযোগ, এই দুর্নীতিতে সাংসদ, বিধায়করাও জড়িত। তাঁদের সকলের শাস্তি হোক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement