shono
Advertisement
Jhargram

'অভিশপ্ত' শিলদা আজ হাসছে! ১৬ বছরের আগের অভিশাপ ভুলে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা ডিজির

মাওবাদী সন্ত্রাস পর্বের সময়ে শিলদায় ভরা বাজারের মাঝে ইএফআর ক্যাম্প বসানো হয়েছিল। ঘটনার দিন বিকেলে ইএফআর ক্যাম্পে হামলা চালায় সশস্ত্র মাওবাদীরা। শহিদ হন ২৪ জন ইএফআর জওয়ান।
Published By: Subhankar PatraPosted: 05:43 PM Feb 15, 2026Updated: 06:36 PM Feb 15, 2026

সালটা ২০১০। ফেব্রুয়ারি মাসের ১৫ তারিখ। সন্ধ্যা নামার আগে পুলিশের ইএফআর ক্যাম্পে  হামলা চালায় মাওবাদীরা। প্রাণ যায় ২৪ জন জওয়ানের। ষোলো বছর আগে ঝাড়গ্রামের শিলদার ঘটনা সেই সময়ের জঙ্গলমহলের একটা রক্তাক্ত দলিল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

সেই হামলার ষোলো বছরে আজ, রবিবার শহিদের শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডে। সেখানে তাঁর বার্তা,  আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে যাতে সাধারণ মানুষ অবাধে ভোট দিতে পারেন সেই ব্যবস্থা করবে পুলিশ। তিনি আরও বলেন, "২০১০ সালের সেই দিন আর কখনও ফিরে না আসে সেই জন্য পুলিশ, সাধারণ মানুষ একসঙ্গে কাজ করবে।"

মাওবাদী সন্ত্রাস পর্বের সময়ে শিলদায় ভরা বাজারের মাঝে ইএফআর ক্যাম্প বসানো হয়েছিল। শিলদা-বাঁকুড়া রাজ্য সড়কের ধারে নিমতলা চকে শিলদা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রাঙ্গণে ছিল ওই ক্যাম্পটি। ঘটনার দিন বিকেলে ইএফআর ক্যাম্পে হামলা চালায় সশস্ত্র মাওবাদীরা। শহিদ হন ২৪ জন ইএফআর জওয়ান। গুলির লড়াইয়ে নিহত হন ৫ মাওবাদীও। তবে নিহত সঙ্গীদের দেহ মাওবাদীরা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। ঘটনার পরে শিলদার নিমতলা চক লাগোয়া ইএফআর ক্যাম্পটি তুলে নেওয়া হয়। পরিবর্তে শিলদার অনতি দূরে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের স্ট্র্যাকো জওয়ানদের ক্যাম্প বসানো হয়।

জওয়ানদের পরিবারে হাতে উপহার তুলে দেওয়া হচ্ছে। নিজস্ব চিত্র

এ দিন ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিনপুর থানার শিলদা পুলিশ ক্যাম্পে শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান পালন করা হয়। ২৪টি শহিদ ইএফআর জওয়ানদের পরিবারের সদস্যকে সম্মান জানায় পুলিশ। তুলে দেওয়া হয় উপহার। পুলিশ পরিচালিত দিশা কোচিং সেন্টারের পড়ুয়াদেরও উপহার দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন, ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আকাঙ্খা ভাস্কর, পুলিশ সুপার মানব সিংলা, ডিআইজি ( মেদিনীপুর রেঞ্জ) অরিজিৎ সিনহা-সহ রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকরা। তাঁরা শহিদ মিনারে পুস্প স্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

শহিদ ইএফআর প্রেম শেরিং লেপচার ছেলে লিটন লেপচা ২০২৪ সালে পুলিশে চাকরি পেয়েছেন। লিটন বলেন, "বাবার ওই ভাবে চলে যাওয়া এখনও মেনে নিতে পারিনা। তখন মাত্র বারো বছর বয়স আমার। প্রতিবছর দিনটিতে শহিদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশকে ধন্যবাদ।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement