shono
Advertisement

অস্তিত্ব সংকটে শকুন, রাজাভাতখাওয়ায় কৃত্রিম উপায়ে বংশবৃদ্ধির ভাবনা বনদপ্তরের

আগামী বছরের শুরুতেই রাজাভাতখাওয়ায় 'আর্টিফিশিয়াল ইনকিউবেশন' চালুর ভাবনা।
Posted: 10:18 AM Sep 07, 2023Updated: 10:25 AM Sep 07, 2023

রাজকুমার, আলিপুরদুয়ার: অস্তিত্ব সংকটে শকুন। তাই বিশেষ উদ্যোগ বনদপ্তরের। এবার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের রাজাভাতখাওয়া শকুন প্রজনন কেন্দ্রে কৃত্রিম উপায়ে ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা তৈরির উদ্যোগ বনদপ্তরের। যার পোশাকি নাম ‘আর্টিফিশিয়াল ইনকিউবেশন’। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের শুরুতেই রাজাভাতখাওয়ায় ‘আর্টিফিশিয়াল ইনকিউবেশন’ চালু করবে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন বলেন, “আমরা শকুনের সংখ্যা বৃদ্ধি দ্বিগুণ করার জন্য ‘আর্টিফিশিয়াল ইনকিউবেশন’ চালু করতে যাচ্ছি। খুব তাড়াতাড়ি এই পদ্ধতি রাজাভাতখাওয়া শকুন প্রজনন কেন্দ্রে চালু করা হবে।” রাজাভাতখাওয়ায় শকুন বিষয়ে সচেতনতা অনুষ্ঠানে একথা জানান বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা।

Advertisement

কিন্তু হঠাৎ করে এই কৃত্রিম উপায়ে শকুনের ডিম ফোটানোর উদ্যোগ কেন নিল বনদপ্তর? শকুন বছরে একটি মাত্র ডিম পারে। কিন্তু ডিম পারার পরে সেই ডিম সেখান থেকে কোনভাবে তুলে নিতে পারলে সেবছর আরও একটি পারার সম্ভাবনা থাকে। শকুনটি একটি ডিম নষ্ট হয়ে যায় ধরে নিয়ে আরেকটি ডিম পারতে পারে। ফলে এক্ষেত্রে বছরে একটি শকুন দুটো ডিম পারতে পারে। একটি ডিম কৃত্রিম উপায়ে ফোটানোর ব্যবস্থা করতে পারলে একটি শকুন থেকে বছরে দুটো ডিম আর সেই দুই ডিম থেকে দুটো শকুনের বাচ্চা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কৃত্রিম উপায়ে শকুনের ডিম ফোটানোর ব্যবস্থা চালু করছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

[আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যসাথীতে রোগী ভরতি নিলে মিলবে হাসপাতাল নির্মাণে ছাড়, নয়া সিদ্ধান্ত কলকাতা পুরসভার]

তবে কৃত্রিম উপায়ে শকুনের ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা তৈরি করার পর সেগুলিকে কয়েকদিন ইনকিউবেটরে রাখা হবে। দেখভালের পর আবার তাকে প্রাকৃতিক উপায়ে জন্ম নেওয়া শকুনের বাচ্চার সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গোটা পৃথিবী থেকেই হারিয়ে যাচ্ছে শকুন। তার ফলে গোটা বিশ্বে বাড়ছে উদ্বেগ। আর সে কারণেই পৃথিবীতে শকুন বাঁচিয়ে রাখার নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

২০০৬ সালে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের রাজাভাতখাওয়া রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে শকুন প্রজনন কেন্দ্র চালু হয়। বিভিন্ন জায়গা থেকে বিলুপ্ত শকুন উদ্ধার করে এই প্রজনন কেন্দ্রে রেখে তাদের বংশবৃদ্ধির কাজ শুরু হয়েছে। খুশির খবর, বর্তমানে রাজাভাতখাওয়া শকুন প্রজনন কেন্দ্রে চার প্রজাতির মোট ১৫৪টি শকুন রয়েছে। এই শকুন প্রজনন কেন্দ্র থেকে এখনও পর্যন্ত ৩০টি শকুন খোলা আকাশে ছাড়া হয়েছে। স্যাটেলাইট ট্যাগ লাগিয়ে সেসব শকুনকে ছেড়েছে বনদপ্তর।

দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন: চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে বিপত্তি, দেউলটিতে মৃত কলেজ ছাত্রী]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার