বাংলাদেশি নথি সঙ্গে না থাকলেও এবার সিএএ-তে আবেদন করা যাবে! আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। তাঁর এই আশ্বাসে স্বস্তি মতুয়া সমাজের। বরাবর মতুয়াদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শান্তনু ঠাকুরও আশ্বাস দিয়েছেন, এসআইআরে নাম কাটা গেলেও কাউকে বাংলাদেশে যেতে হবে না। সিএএতে আবেদন করে নাগরিকত্ব মিলবে। এবার নথি না থাকলেও আবেদনে নাগরিকত্বের আশ্বাস দিলেন বনগাঁর সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর।
সিএএতে আবেদন করে উদ্বাস্তু মতুয়াদের নাগরিকত্ব নেওয়ার আবেদন দীর্ঘদিন ধরে জানিয়েছে বিজেপি৷ অনেকেই আবেদন করে নাগরিকত্ব পেয়েছেন আবার বহু মানুষ আবেদন করতে গিয়ে বাংলাদেশি নথি না থাকায় ফর্মপূরণ করতে পারছেন না৷ কারণ, সিএএতে আবেদন করতে গেলে বাংলাদেশি নথি প্রয়োজন। ফলে সমস্যায় পড়ছে বহু মানুষ। ভাবছেন সিএএতে আবেদন করতে না পারলে সমস্ত সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবে৷ কীভাবে নাগরিকত্ব মিলবে তা নিয়ে দ্বন্দ্বে রয়েছেন৷ সোমবার বনগাঁয় তপশিলি মোর্চার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেই সমস্ত উদ্বাস্তু মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর।
উদ্বাস্তু মতুয়ারা জানিয়েছেন ,রাতের অন্ধকারে বহু মানুষ পালিয়ে খালি হাতে-পায়ে, এক পোশাকে ভারতে এসেছিলেন। কারও বাড়ি, কাগজপত্র সবই আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। কোনও নথিপত্র ছাড়াই এদেশে আসা।
তিনি বলেন, "সিএএতে এখন খুব দ্রুত কাজ হচ্ছে। আমরা নাগরিকত্ব পাচ্ছি। একটা বিষয় জটিলতা আছে৷সিএএতে আবেদন করতে বাংলাদেশের নথি প্রয়োজন হচ্ছে। সেই ডকুমেন্ট ছাড়া সিএএ-এর ফর্মপূরণ করা যাচ্ছে না। অনেকের নেই, সেক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। আগামীতে এই সমস্যা থাকবে না। আমি মনে করি আগামীতে ছাড় দেওয়া হবে৷ আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের যে সমস্ত সংস্থা আছে, তাদের মাধ্যমে সার্টিফাই করে সার্টিফিকেটের মাধ্যমে, যাতে নাগরিকত্ব পাওয়া যায় তার সুবন্দোবস্ত হচ্ছে৷" মন্ত্রী আরও বলেন, এখন আরও সুবিধা হবে। কারণ রাজ্য সরকার সহযোগিতা না করলে যে কোন কাজ করতেই দেরি হয়, সমস্যা হয়।" উদ্বাস্তু মতুয়ারা জানিয়েছেন ,রাতের অন্ধকারে বহু মানুষ পালিয়ে খালি হাতে-পায়ে, এক পোশাকে ভারতে এসেছিলেন। কারও বাড়ি, কাগজপত্র সবই আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। কোনও নথিপত্র ছাড়াই এদেশে আসা।
