ইউরিয়া-সহ বিভিন্ন সারের দাম নিয়ে কৃষকদের অভিযোগে এবার সরাসরি প্রশাসনের কাছে জবাব চাইলেন মন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল (Dudh Kumar Mondal)। বাঁকুড়ায় আসার পথে একাধিক গ্রামে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখানেই সারের দাম ও সরবরাহ নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। এরপরই জেলাশাসকের দপ্তরে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মন্ত্রী।
সরকারি হিসাবে ৪৫ কেজি ইউরিয়া সারের ভর্তুকিযুক্ত এমআরপি ২৪২ টাকা। অথচ কৃষকদের একাংশের অভিযোগ, কোথাও কোথাও সেই সার ৩০০-৩৫০ টাকা বা তারও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ডিএপি, এমওপি এবং বিভিন্ন এনপিকে সারের ক্ষেত্রেও সরকারি/ঘোষিত দামের তুলনায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এই অতিরিক্ত দামগুলি কৃষকদের অভিযোগভিত্তিক—প্রশাসনের তদন্তে তা যাচাই হওয়ার অপেক্ষায়।
বৈঠকে মন্ত্রীর কড়া প্রশ্ন, "সরকারি দামে সার দেওয়ার ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কৃষককে বেশি টাকা দিতে হচ্ছে কেন? কোথায় কত সার এসেছে, কতটা বিক্রি হয়েছে এবং কোন দামে বিক্রি হয়েছে—তার হিসাব আধিকারিকদের কাছে থাকতে হবে।" মন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, "কৃষকের প্রয়োজনের সার নিয়ে কালোবাজারি বা কৃত্রিম সঙ্কট কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। অভিযোগ সত্যি হলে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।"
কৃষকদের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সরবরাহ, মজুত এবং বিক্রির নথি পরীক্ষা করার উপর জোর দেন তিনি। ইউরিয়া-সহ অন্যান্য সারের প্রকৃত বাজার পরিস্থিতি দ্রুত খতিয়ে দেখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
