shono
Advertisement
Bongaon

বিজেপি বিধায়কের কাছ থেকে ৭ নম্বর ফর্ম লুঠের অভিযোগে তপ্ত বনগাঁ, 'মানুষের প্রতিবাদ', বলল তৃণমূল

৭ নম্বর ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আজ সোমবার সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর সামনে আসে।
Published By: Kousik SinhaPosted: 07:33 PM Jan 19, 2026Updated: 07:33 PM Jan 19, 2026

ফর্ম ৭ জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটল বনগাঁ মহকুমা শাসকের অফিসে৷ বিজেপির বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার অভিযোগ, সোমবার মহকুমা শাসকের দপ্তরে থাকা কার্যালয়ে ফর্ম জমা দিতে এসেছিলেন৷ অভিযোগ, ওই সময় একদল দুষ্কৃতী ঢুকে সরকারি কর্মীদের কাছ থেকে দশটা ফাইলের ফর্ম কেড়ে নেয়। ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিতরাই রয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের। পালটা মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরাও। যদিও কারো হাতে এদিন কোন দলীয় পতাকা ছিল না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মহকুমা শাসকের দপ্তর৷ 

Advertisement

৭ নম্বর ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আজ সোমবার সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর সামনে আসে। এর মধ্যেই এদিন বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে বনগাঁ মহকুমা শাসকের অফিস। বিজেপির অভিযোগ, মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে ফর্ম ৭ ছিঁড়ে রাস্তার উপর ফেলে দেওয়া হয়৷ বিক্ষোভের জেরে দীর্ঘক্ষণ এসডিও অফিসেই বিজেপি বিধায়ক আটকে থাকেন৷ সেখানে তৃণমূল কাউন্সিলর পাপাইরা নেতৃত্বে প্রচুর তৃণমূলের লোকজন জড়ো হয়৷ নতুন করে ফের উত্তেজনা পরিস্থিতি তৈরি হয়৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য বনগাঁর এসডিপিও অর্ক পাজার নেতৃত্বে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়৷

জানা যায়, বিকেল চারটা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় বাইরে বেরিয়ে আসেন বিজেপি বিধায়ক৷ সে সময় বাইরে উপস্থিত তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি পরিস্থিতি তৈরি হয় কেন্দ্রীয় জওয়ানদের ৷ 'চোর চোর' বলে অশোকের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেওয়া হয়। অশোক কীর্তনিয়া বলেন, ''সারাদিন ফোন করা হলেও এসডিও আমাদের ফোন ধরেননি৷ প্রশাসক তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে ৷ ফর্ম জমা দিতে এসেছিলাম জমা করতে দেয়নি৷ বাকি ফর্ম নিয়ে আমরা ফিরে যাচ্ছি ৷ আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানাবো৷''

অন্যদিকে কাউন্সিলর পাপাইয়ের অভিযোগ, ''এদিন এসডিও অফিসের ঘরের দরজা বন্ধ করে কলঙ্কিত বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া ভোটার তালিকা থেকে সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছিল ৷ আমাদের মহিলা কর্মীরা প্রতিবাদ করায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাদের মারধর করে৷ সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করেছে৷''

অন্যদিকে তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ''সাধারণ মানুষ এসআইআর প্রক্রিয়ায় হয়রানি হচ্ছেন ৷ প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ জন মানুষ মারা গিয়েছেন৷ মানুষ আতঙ্কিত রয়েছে। বিজেপি ইচ্ছা করে তাদের নাম কেটে দিচ্ছে৷ সাধারণ মানুষই এর প্রতিবাদ করেছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগাযোগ নেই৷'' অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, বাগদা হাই স্কুল ও বাগদা বিডিও অফিসে ৭ নম্বর ফর্ম জমা দিতে গেলে তৃণমূলের লোকজন তা কেড়ে নেয়। তবে এদিন মহকুমাশাসক অফিসে না আসায় তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement