সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: ট্রলারের সঙ্গে জাহাজের ধাক্কা। বকখালির তট থেকে প্রায় ৪০-৪৫ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রের ঘটনা। জাহাজের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া ট্রলারের ১৬ জন মৎস্যজীবীর সকলকেই জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে নষ্ট হয়েছে প্রচুর ইলিশ।
ওয়েস্টবেঙ্গল ইউনাইটেড ফিশারমেন অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সম্পাদক বিজন মাইতি জানিয়েছেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ২৪ পরগনার রামনগর থানার নৈনানের গাজীপুর থেকে এফ বি রাজেশ্বরী নামের একটি ফিশিং ট্রলার বেরয়। তাতে ছিলেন ১৬জন মৎস্যজীবী। ইলিশ ধরতে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেয় ট্রলারটি। শুক্রবার গভীর রাতে ওই মৎস্যজীবীরা ট্রলার দাঁড় করিয়ে জাল ফেলার কাজ করছিলেন।
[আরও পড়ুন: ঘুমন্ত অবস্থায় পক্ষাঘাতগ্রস্ত নবতিপর বৃদ্ধাকে ‘ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ২০ বছর বয়সি যুবক]
সেসময় বিদেশি একটি জাহাজের সঙ্গে আচমকা সংঘর্ষ। জাহাজের ধাক্কায় ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীরা উত্তাল সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। আশপাশে মাছ ধরছিল আরও দু’টি ট্রলার। ওই ট্রলার দু’টি তৎক্ষণাৎ বিপদগ্রস্ত মৎস্যজীবীদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। সকলকেই জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
শনিবার উদ্ধার হওয়া ওই মৎস্যজীবীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে ইতিমধ্যেই গভীর সমুদ্র থেকে কাকদ্বীপ ঘাটের দিকে রওনা দিয়েছে উদ্ধারকারী ট্রলার। ডুবে যাওয়া ট্রলারটিকেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ট্রলারে থাকা প্রায় এক টন ইলিশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তার ফলে বড়সড় ক্ষতির মুখে মৎস্যজীবী থেকে ট্রলার মালিক সকলেই।
