shono
Advertisement

Breaking News

Hooghly

দ্বিতীয় বিয়ের জের! স্ত্রী-কন্যাকে মেরে 'আত্মহত্যা' যুবকের, চাঞ্চল্য হুগলিতে

ঘরের দেওয়ালে নিজের পরিবারেরই সাত জনের নাম লিখে গেছেন কেয়ামুদ্দিন।
Published By: Anustup Roy BarmanPosted: 06:48 PM Nov 01, 2025Updated: 06:48 PM Nov 01, 2025

সমন করাতি, হুগলি: হুগলির চাঁপদানীতে একই সঙ্গে পুরো পরিবারের অস্বাভাবিক মৃত্যু। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ধার শোধ করতে না পেরেই আত্মহত্যা বলে অনুমান পুলিশের।

Advertisement

চাঁপদানী একই বাড়ীতে স্বামী, স্ত্রী এবং মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। মৃতরা হলেন ৪০ বছরের মহঃ কেয়ামুদ্দিন, তাঁর স্ত্রী ৩২ বছরের মমতাজ পারভিন এবং তাঁদের মেয়ে আট বছরের আফসা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান স্ত্রী এবং মেয়েকে বিষ খাইয়ে নিজে আত্মহত্যা করেছেন গৃহকর্তা কেয়ামুদ্দিন।

স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঁপদানীর এ্যাঙ্গাস এলাকার চন্দনপাড়ার বাসিন্দা মহঃ কেয়ামুদ্দিন, তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে ঘরের মধ্যেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। সকালে স্থানীয় মানুষ তাঁদেরকে ঘরের মধ্যে এই অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে।

তিনজনের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুঁচুড়ার ইমামবড়া হাসপাতালে পাঠায়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, কেয়ামুদ্দিন ব্যারাকপুর আদালতে এক মুহুরির কাছে কাজ করতেন। বাজারে অনেক টাকা ধার দেনা হওয়ায় বাবাকে জমি বিক্রির কথা বলেন তিনি। কেয়ামুদ্দিনের বাবা এবং মা দু'জনেই পক্ষাঘাতে আক্রান্ত। চন্দনপাড়াতেই থাকেন তাঁরাও। জমি বিক্রি করলে এই বৃদ্ধ বয়সে তাদের কী হবে ভেবে জমি বেচতে চাননি বৃদ্ধ। এর পাশপাশি, নিজের পরিচয় লুকিয়ে কেয়ামুদ্দিন আরও একটি বিবাহ করে ২০১৯ সালে। সেই কথাও জানাজানি হয় সম্প্রতি।

যে ঘর থেকে মৃতদেহগুলি উদ্ধার হয়েছে, সেই ঘরের দেওয়ালে নিজের পরিবারেরই সাত জনের নাম লিখে গেছেন কেয়ামুদ্দিন। আসলে কী ঘটেছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • একই সঙ্গে পুরো পরিবারের অস্বাভাবিক মৃত্যু।
  • ধার শোধ করতে না পেরেই আত্মহত্যা বলে অনুমান পুলিশের।
  • তিনজনকেই ঘরের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
Advertisement