shono
Advertisement

Breaking News

Durgpapur

দুর্গাপুরের 'রক্তচোষা'! কীভাবে স্কুলপড়ুয়াদের রক্ত হাতিয়ে নিত দেবপ্রিয়?

স্কুলছাত্রদের রক্ত সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগে তোলপাড় গোটা বাংলা।
Published By: Sayani SenPosted: 04:07 PM Aug 07, 2026Updated: 04:07 PM Aug 07, 2026

স্কুলছাত্রদের রক্ত সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগে তোলপাড় গোটা বাংলা। দুর্গাপুরের এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা অমিত প্রসাদ, মহম্মদ হাবিবুল্লা ও প্রাক্তন স্কুলছাত্র দেবপ্রিয় চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঠিক কীভাবে পড়ুয়াদের রক্ত সংগ্রহ করত দেবপ্রিয়, তদন্তে নেমে বিস্ফোরক তথ্য পেলেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

রক্ত সংগ্রহ করে বিক্রিতে যে স্কুলের পড়ুয়াদের টার্গেট করা হয়েছে, সেখানেই পড়ত দেবপ্রিয়। গত ২০২৩-২৪ সালে মাধ্যমিক পাশ করে। তারপর আর স্কুলে যায়নি সে। তাকে কাজে লাগিয়ে রক্ত বিক্রির চক্র চালাত হাবিবুল্লা এবং অমিত। তদন্তকারীদের দাবি, সম্প্রতি ওই স্কুলের আশেপাশে তার আনাগোনা বাড়ে। স্কুলের অষ্টম, নবম এবং দশম শ্রেণির অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারের পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপ জমায়। ধীরে ধীরে বিশ্বাস অর্জন করত। বন্ধুত্ব গভীর হলে গল্পের ছলে অসুস্থ শিশুদের ভিডিও দেখাও। রক্ত দেওয়ার আবেদন করত। রাজি হয়ে গেলে কৌশলে আধার নম্বর নিত। সেখানে কারচুপি করে আধার কার্ডে জন্মতারিখ বদলে ফেলত দেবপ্রিয়। বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত সংগ্রহ করত। বিনিময়ে কোনও পড়ুয়াকে ২৫০ টাকা, কাউকে ৩০০ আবার কারও হাতে ৫০০ টাকা দিত সে।

শুধু একবার নয়। এভাবে পড়ুয়াদের কাছ থেকে সাড়ে ৩ মাসে কমপক্ষে দু'বার রক্ত নিয়েছে দেবপ্রিয়। ওই পড়ুয়াদের আবার রক্তদাতা জোগাড় করার বরাদ দিত। আনতে পারলে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা কমিশন দিত দেবপ্রিয়। আবার কোনও কোনও পড়ুয়ার কাছ থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের আর্জি জানাত সে। তা শুনে বহু পড়ুয়া ঘাবড়ে যায় বলেই দাবি। রক্ত চুরির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকে আতঙ্কে কাঁটা পড়ুয়ারা। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথাও বলেছে। দেবপ্রিয়, অমিত এবং হাবিবুল্লার কুকীর্তির শিকড় ঠিক কতদূর বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement