shono
Advertisement

Breaking News

Malda

ঝুলছে শুধুই দেওয়াল, জলের তলায় ক্লাসঘর! গঙ্গার রোষে বিপন্ন মালদহের একাধিক স্কুল

মালদহ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) মলয় মণ্ডল জানান, রতুয়া-১ এবং মানিকচক ব্লকের কিছু স্কুলের পরিস্থিতি খুবই খারাপ।
Published By: Kousik SinhaPosted: 05:43 PM Sep 02, 2026Updated: 06:10 PM Sep 02, 2026

একের পর এক স্কুল বাড়ি মিলিয়ে যাচ্ছে গঙ্গা গর্ভে। উথাল-পাথাল নদী। আতঙ্কে পড়ুয়াদের বেশিরভাগ স্কুলে পৌঁছতে পারছে না। ওই পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপত্তার কথা ভেবে নয়টি প্রাথমিক স্কুলে আপাতত বন্ধ রাখল মালদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। পঠনপাঠন চালু রাখতে বিকল্প কোনও স্কুলের খোঁজ চালছে। নদী স্বাভাবিক না-হওয়া পর্যন্ত সেখানেই চলবে কচিকাঁচাদের লেখাপড়া।

Advertisement

জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক জানান, এলাকাগুলো পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। গঙ্গার ভয়াবহতা দেখে ওই স্কুলগুলোকে কতখানি রক্ষা করা যাবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যে স্কুলভবনগুলি নদীতে তলিয়ে গিয়েছে, সেই এলাকায় ভূমি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সরকারি কোনও জায়গায় নতুন স্কুলভবন তৈরির প্রস্তাব পাঠানো হবে।

মালদহ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) মলয় মণ্ডল জানান, রতুয়া-১ এবং মানিকচক ব্লকের কিছু স্কুলের পরিস্থিতি খুবই খারাপ। গঙ্গা এবং ফুলহর নদীর জলস্তর বেড়ে চলায় অনেক পড়ুয়া স্কুলে পৌঁছতে পারছে না। আবার কোথাও ভাঙনের কবলে পড়ে স্কুল বাড়ি নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। তাই স্কুল বন্ধ রাখতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, রতুয়ার পশ্চিম রতনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাংশ সোমবার রাত থেকে নদীতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। জিতুটোলা প্রাইমারি স্কুল গতবছর থেকে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ছিল। এবছর ওই স্কুল নদীতে তলিয়ে গিয়েছে। অবশিষ্ট বলতে রয়েছে স্কুলের দু'একটি মাত্র দেওয়াল! অন্যদিকে মণিরামটোলা প্রাথমিক স্কুল থেকে সামান্য দূরে নদী বইছে। জিয়ারামটোলার স্কুলের চারিদিকে জল। রতুয়ার এই চারটি স্কুলে আপাতত পঠনপাঠন বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মানিকচক ব্লকে পাঁচটি স্কুলে পঠনপাঠন আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। ব্লকের ভাট্টা কার্তিকটোলা, আমিনটোলা, পিয়ারীটোলা, সুকদেবটোলা ও নিউ লুতিহার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে নদীর জল বইছে। পড়ুয়ারা স্কুলে পৌঁছতে পারছে না। দুটি ব্লকের নয়টি স্কুলে আপাতত পঠনপাঠন বন্ধ রাখার মৌখিকভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। সার্কেলগুলির এসআইদের থেকে বিকল্প কোন স্কুলে পঠনপাঠন চালানো যেতে পারে কি না সেটা জানতে চাওয়া হয়েছে। রতুয়ায় কিছু স্কুলের পড়ুয়াদের অন্যত্র পঠনপাঠনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই স্কুলগুলি খুব ভালো পরিস্থিতিতে নেই। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক জানান, এলাকাগুলো পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। গঙ্গার ভয়াবহতা দেখে ওই স্কুলগুলোকে কতখানি রক্ষা করা যাবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যে স্কুলভবনগুলি নদীতে তলিয়ে গিয়েছে, সেই এলাকায় ভূমি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সরকারি কোনও জায়গায় নতুন স্কুলভবন তৈরির প্রস্তাব পাঠানো হবে। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement