shono
Advertisement

অযোধ্যা পাহাড়ের টুরগা ফলসে উদ্ধার মাওবাদী পোস্টার, মঙ্গলবার বন্‌ধের ডাক

যে সাইবার ক্যাফে থেকে এই পোস্টারগুলি তৈরি করা হয়েছিল তার হদিশ পেয়েছে পুলিশ।
Posted: 09:19 PM Feb 28, 2022Updated: 09:19 PM Feb 28, 2022

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ফের সিপিআই (মাওবাদী) নামাঙ্কিত পোস্টার মিলল পুরুলিয়ায় (Purulia)। সোমবার সাতসকালে পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির অযোধ্যা পাহাড়ের টুরগা ফলসের কাছে এই পোস্টারগুলি উদ্ধার করে পুলিশ। সাদা কাগজের উপর লাল কালিতে লেখা ওই পোস্টারে ১ মার্চ মঙ্গলবার বন্‌ধ ডেকেছে। তবে এই পোস্টার নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথায়  সেই বিষয়ে কিছু লেখা নেই। এদিন সন্ধেয় পুরুলিয়া জেলা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই পোস্টারগুলি মাওবাদীদের নয়। পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার এস. সেলভামুরুগন বলেন, “এই পোস্টারগুলি মাওবাদীদের নয়। তবু বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Advertisement

পুরভোটের আগের দিন গত শুক্রবার আড়শা থানা এলাকার মোট ৮ জায়গা থেকে সিপিআই (মাওবাদী) নামাঙ্কিত পোস্টার উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় মোট ৮ জনের নামে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করে। ওই ঘটনায় প্রথম ধাপে ৬ জন ও সোমবার বাকি অভিযুক্ত ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আড়শায় যে পোস্টারগুলি উদ্ধার করেছিল পুলিশ, ওই রকম পোস্টারই ২ ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে। যে সাইবার ক্যাফে থেকে এই পোস্টারগুলি তৈরি করা হয়েছিল তার হদিশ পেয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: এবার থেকে প্রতি রবিবার আরও সকালে মিলবে মেট্রো পরিষেবা, জেনে নিন সময়সূচি]

গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই পুরুলিয়ার বিভিন্ন থানা এলাকায় প্রায় ধারাবাহিকভাবে সিপিআই (মাওবাদী) নামাঙ্কিত পোস্টার উদ্ধার হচ্ছে। যার অধিকাংশ মাওবাদীদের নয় বলে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ জানিয়েছে। তবে বছরখানেক ধরে ওই পোস্টারগুলি উদ্ধার হলেও পুলিশের সেভাবে কোনও পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। তবে সম্প্রতি আড়শার ঘটনায় পদক্ষেপ করে মামলা রুজু হয়। ২০১৫ সালের পর এই প্রথম পুরুলিয়ায় মাওবাদী পোস্টার কাণ্ডে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা রুজু করে। গ্রেপ্তারও হয়। 

এদিন পুলিশ যে পোস্টারগুলি উদ্ধার করে তাতে বন্‌ধের বিষয় ছাড়াও ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে পুলিশের গুলিতে নিহত মাও স্কোয়াড সদস্য বিপ্লব ও রিমিলের মৃত্যুর কথাও উল্লেখ রয়েছে। সেই সঙ্গে পোস্টারে লিখেছে, তারা আবার জঙ্গলে ফিরে যেতে চান। এছাড়া আরেকটি পোস্টারের বয়ান ছিল, “আমাদের ছেলেকে ভাতা বা চাকরির টোপ দিয়ে আর রাখা যাবে না।” উদ্ধার হওয়া আরেকটি পোস্টারের বয়ান ছিল, “জঙ্গলমহলে এসপি, ডিএসপি সরকারের কাছে আমাদের খবর যাচ্ছে না কেন? তার জবাব চাই।” তৃতীয় এই পোস্টারের বয়ান থেকেই পুলিশের অনুমান এই পোস্টারগুলি মাওবাদীদের নয়। এছাড়া প্রত্যেকটি পোস্টারের তলায় সিপিআই (মাওবাদী) লেখা ছাড়াও ‘দলমা বাবা’ লেখা রয়েছে। এই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে ওঠেনি পুলিশের কাছে।  

[আরও পড়ুন: রুশ হানার মাঝেই বিয়ে, প্রাণ বাঁচিয়ে ইউক্রেনের কনেকে নিয়ে ভারতে ফিরলেন হায়দরাবাদের যুবক]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement