shono
Advertisement
Migrant Worker Death

অসমে বাস দুর্ঘটনা, ভিনরাজ্যে মৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের

অসমে কাজে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কাকদ্বীপের বাসিন্দার।
Published By: Anustup Roy BarmanPosted: 01:45 PM Aug 25, 2025Updated: 02:28 PM Aug 25, 2025

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: ভিনরাজ্যে ফের মৃত্যু হল বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের। অসমে কাজে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কাকদ্বীপের বাসিন্দার। মৃতের নাম সোমনাথ জানা। বছর সাতাশের ওই পরিযায়ী শ্রমিক দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ থানার বামানগর পার্বতীপুর এলাকার বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, সোমনাথ জানার পরিবারে আর্থিক অনটন চলছিল। সেই অনটন মেটাতেই গ্রামের উচ্চশিক্ষিত ছেলে অসমে একটি কারখানায় পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে যান।

Advertisement

মৃত যুবক অসমে একটি সোলার প্লেট তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। আইটিআই পাশ করা ওই যুবক কারখানায় ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করতেন। সোমনাথের বাড়িতে রয়েছেন অসুস্থ বাবা-মা এবং একমাত্র বোন। তাঁদের দায়িত্ব ছিল সোমনাথের কাঁধে। প্রায় পাঁচ বছর ধরে অসমের এক কারখানায় কাজ করছিলেন তিনি। গত ১৬ আগস্ট অসম থেকে বাড়িতে ফেরেন। মঙ্গলবার ফের বাড়ি থেকে রওনা দেন অসমের উদ্দেশে। বৃহস্পতিবার থেকে হঠাৎই সোমনাথের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় পরিবারের। ফোনে কোনও খবর না পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন বাবা, মা ও বোন।

সোমনাথের জেঠু প্রকাশ জানা জানান, সোমবার সকালে কাজের জায়গায় ফোন করে পরিবার জানতে পারে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সোমনাথের। এই খবর শোনার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন। শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন বাবা-মা। সোমনাথের মৃতদেহ কাকদ্বীপের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে পরিবার।

প্রসঙ্গত, ভিনরাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরে এলে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে সাহায্য করবে, বাঙালি-বিদ্বেষের আবহে আগেই সেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য 'শ্রমশ্রী' প্রকল্প চালুর কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। ফিরে আসার পর যতদিন না কাজ পাচ্ছেন তাঁদের ৫ হাজার টাকা করে মাসিক অনুদানও ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে স্বস্তিতে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • ফের ভিনরাজ্যে মৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের।
  • পাঁচ বছর ধরে অসমের এক কারখানায় কাজ করছিলেন তিনি।
  • মৃতদেহ কাকদ্বীপের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে পরিবার।
Advertisement